কাশ্মীর সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায় ও মধ্যস্থতা প্রয়োজন!

একসময় নৈসর্গিক শোভার জন্য যে স্থানটি বিখ্যাত ছিল,সেই কাশ্মীর উপত্যকা এখন ভারত ও পাকিস্তানের জন্য প্রক্সি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই সপ্তাহে ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দেশটির সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করেছে, যা একসময় মুসলিম অধ্যুষিত ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল। দিয়েছিল স্বশাসনের অধিকার।

সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করেই ক্ষান্ত হয়নি বিজেপি সরকার। জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার জন্য লোকসভায় একটি বিলও উত্থাপন করেছে। ভারতে রাজ্য সরকারগুলো স্থানীয় ইস্যুতে স্বায়ত্তশাসন উপভোগ করে, তবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে নয়াদিল্লি সব ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে। যেহেতু লোকসভায় বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, তাই বিলটি সহজেই পাস হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিলটি ইতিমধ্যে রাজ্যসভায় পাস হয়েছে। এখন লোকসভায় পাস হলেই বিশেষ রাজ্যের অধিকার হারিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ।

এ ছাড়া সংবিধানের ৩৫–এ অনুচ্ছেদও বাতিল করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, শুধু স্থানীয় কাশ্মীরিদের তাদের নিজ রাজ্যে চাকরি পাওয়ার ও জমি কেনার অধিকার আছে। অনুচ্ছেদটি বাতিল হওয়ায় এখন ভারতের যে কেউ কাশ্মীরে জমি কিনতে ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবেন। কাশ্মীরিরা সরকারের এই পদক্ষেপকে তাদের জনমিতির ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। তাদের আশঙ্কা, যদি কাশ্মীরে অ-কাশ্মীরিদের আসতে এবং ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়, তবে শিগগিরই এটি মুসলিম সংখ্যালঘু অঞ্চলে পরিণত হবে।

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার স্লোগান প্রচার করে বিজেপি চলতি বছরের গোড়ার দিকে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে। দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে পুনর্নির্বাচিত বিজেপি সরকার সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করবে। কাজেই ভারতের রাজনীতিতে সর্বশেষ ঘটা ঘটনাটি অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। তবে বিজেপি যেভাবে এটি করেছে, তা নৈতিক ও আইনগত দিক দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ।

সংবিধান সংশোধনের জন্য বিজেপিকে ৩৭০ ধারা বাতিল–সংক্রান্ত বিলটির ব্যাপারে কাশ্মীরের বিধানসভার অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন ছিল। তবে গত বছর বিজেপি জম্মু-কাশ্মীরের জোট সরকার থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর সেখানে রাজ্যপালের শাসন জারি হয়। বিধানসভার কোনো কার্যক্রম চলছে না, তা জেনে বিজেপি রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে ৩৭০ ধারা বাতিল করার ব্যাপারে রাজ্যপালের সমর্থন আদায়ের জন্য তার ক্ষমতা ব্যবহার করে। সরকারের এই পদক্ষেপ যদি সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়, তবে এটি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

তবে বিজেপির বুদ্ধিমান নেতারা জানেন যে সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো কার্যক্রম প্রচুর সময় নেয়, যা সরকারকে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেবে এবং পরবর্তী সময়ে আদালত যেগুলোর প্রতিকার করতে অক্ষম হবেন। উদাহরণস্বরূপ, অ-কাশ্মীরি ভারতীয় যাঁরা কাশ্মীরে সম্পত্তি কিনেছেন বা বাড়িঘর তুলে বসবাস করছেন, তাঁদের আদালত অপসারণ করতে পারবেন না, কারণ তাঁরাও পাল্টা এ–জাতীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি তাদের পরিকল্পনাটি চতুরতার সঙ্গে সম্পাদন করতে পারে, তবে একই সঙ্গে তারা জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতাকেও অবমূল্যায়ন করেছে। বর্তমানে কাশ্মীর উপত্যকায় প্রায় কারফিউর মতো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, ভারতীয় আধা সামরিক বাহিনী ২৪ ঘণ্টা টহল দিচ্ছে। ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। বিজেপি হয়তো এভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম, তবে তারা এটা খুব বেশি দিন করতে পারবে না।

অচিরেই কাশ্মীরের জনগণের আন্দোলনের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আলগা হয়ে যাবে, কাশ্মীরের জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে, যা সরকারকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার বিষয়টিকে প্রায় অসম্ভব করে তুলবে। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হওয়ার সময় কাশ্মীরের শাসকেরা স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন কাশ্মীর দখল নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়, তখন স্থানীয় শাসকেরা এই শর্তে ভারতের সঙ্গে নিজেকে একত্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে কাশ্মীর হবে স্বশাসিত একটি রাজ্য। মোদির সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো তাঁর সমর্থকদের হয়তো খুশি করেছে, তবে এটা ঠিক যে তিনি এই অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে দীর্ঘকালের চুক্তি লঙ্ঘন করেছেন।

পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে কাশ্মীর সব সময়ই একটি গোলযোগপূর্ণ এবং এটি বিশ্বের অন্যতম সামরিককৃত অঞ্চল। পাকিস্তান এবং ভারত উভয়ই গোটা কাশ্মীর উপত্যকার মালিকানার দাবি করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীরের যুবকেরা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর নির্মম আচরণের শিকার হয়ে আসছেন এবং একই সঙ্গে ভারত দাবি করে আসছে যে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার জন্য পাকিস্তান তাঁদের উৎসাহিত করছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আধা সামরিক বাহিনীর নির্মম আচরণের ফলে কাশ্মীরের যুবকদের মধ্যে ভারতবিরোধী মনোভাব আরও তীব্র হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের ভূমিকা অনেকটা অসহায়ের মতো, যেমনটা অসহায়ত্ব সংস্থাটি প্রদর্শন করেছে সিরিয়া, লেবানন ও আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে। জাতিসংঘ কেবল পাকিস্তান ও ভারত উভয়কেই সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি জারি করে। সংস্থাটির যদি যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের মতো সত্যিকারের ক্ষমতা থাকত এবং দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে পারত, তবে হাজার হাজার নিরীহ মানুষের জীবন বাঁচানো যেত এবং লাখ লাখ নাগরিক ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদের উগ্রতা থেকে রক্ষা পেত।

সম্ভবত এখনই বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর কাশ্মীরের ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে। সময় হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে চলা লড়াই থেকে কাশ্মীরকে বাঁচানোর। জাতিসংঘের উচিত ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করাকে অমানবিক আচরণ হিসেবে নিন্দা করা এবং ধর্ম ও জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমের নামে কাশ্মীরিদের ওপর আরও অত্যাচার করা থেকে রক্ষা করা।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

জেনে নিন- ঈদের জামাতের সময়সূচি!

মুসলিম উম্মাহর ‍দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ১২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের প্রধান ঈদ জামাত দেশের প্রধান ঈদ জামাত।

বুধবার (০৭ আগস্ট) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। বিকল্প ইমাম হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ড. মাওলানা মুশতাক আহমদ।

এদিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৭টা, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টা, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টা এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন।

দ্বিতীয় জামাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুফতী মুহীউদ্দিন কাসেম, তৃতীয় জামাতে জামিয়া শাবইয়্যাহ মালিবাগ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি সিবগাতুল্লাহ নূর, চতুর্থ জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতী মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতে ইমামতি করবেন আল আযহার একাডেমির প্রিন্সিপাল ড. মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম আযহারী।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের প্রেমিক আটক

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের পরকীয়া প্রেমিককে আটক করেছে থানা পুলিশ। বুধবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৫টায় সিলেটের বিশ্বনাথের এক কলোনী থেকে অভিযুক্ত আলমকে আটক করা হয়।

আটক আলম মিয়া আলম (৩০) সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মুকসেদপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। সে বিশ্বনাথ উপজেলার জানাইয়া এলাকার লম্বা কলোনীতে বসবাস করছিল।

এ বিষয়ে অভিযোগকারীর মা ললিতা বেগম সাংবাদিকদের জানান, আলমের সাথে আমার বিয়ে হয়নি। তার সাথে ‘সম্পর্ক’ থাকায় সে প্রায়ই আমার ঘরে আসত। আর এই সুযোগে সে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে।

আলমকে আটকের সত্যতা স্বীকার করে থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের পরকীয়া প্রেমিককে আটক করেছে থানা পুলিশ। বুধবার (৭ আগস্ট) বিকেল ৫টায় সিলেটের বিশ্বনাথের এক কলোনী থেকে অভিযুক্ত আলমকে আটক করা হয়।

আটক আলম মিয়া আলম (৩০) সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মুকসেদপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। সে বিশ্বনাথ উপজেলার জানাইয়া এলাকার লম্বা কলোনীতে বসবাস করছিল।

এ বিষয়ে অভিযোগকারীর মা ললিতা বেগম সাংবাদিকদের জানান, আলমের সাথে আমার বিয়ে হয়নি। তার সাথে ‘সম্পর্ক’ থাকায় সে প্রায়ই আমার ঘরে আসত। আর এই সুযোগে সে আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে।

আলমকে আটকের সত্যতা স্বীকার করে থানার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

৭৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছিল এই কাশ্মীর

কাশ্মীরের জনগণের জীবনে ১৭৩ বছরের ব্যবধানে আরেকটি পরিবর্তন এলো। ১৮৪৬ সালে এই জাতিগোষ্ঠী বিক্রি হয়েছিল মাত্র ৭৫ লাখ রুপিতে। এই রুপি ভারতীয় রুপি নয়। ওই সময় পাঞ্জাবে প্রচলিত রুপির নাম ছিল নানকশাহী। বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজউদ্‌দৌলাকে যেভাবে একদল দেশীয় রাজাকারের সহায়তায় পরাস্ত করে বাঙালির স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আটকে দিয়েছিল, একশ’ বছরের ব্যবধানে তারা সেটাই ঘটিয়েছিল কাশ্মীরে।

১৮৪৬ সালের ১৬ই মার্চ একটি জাতি, একটি জনগোষ্ঠী। গরু যেভাবে বিক্রি হয় সেভাবেই বিক্রি করে দিয়েছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গোলাপ সিং এর কাছে। কাশ্মীরের মোট আয়তন, যা বিক্রি হয়েছিল, তা ছিল ৮৪ হাজার ৪৭১ বর্গ মাইল। এবং মানুষ ছিল ২৫ লাখ।
জম্মুর বাসিন্দা ছিলেন গোলাপ সিং। তরুণ বয়সে মহারাজা রঞ্জিত সিং এর দরবারে যোগ দেন।

এবং শিগগিরই তিনি সেই দরবারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। শিখ মহারাজা রঞ্জিত সিংহ ১৮৩৯ সালে মারা যান। তার দরবার ছিল লাহোরে। কিন্তু লাহোর দরবার তার মৃত্যুর পর শিগগিরই অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। এই অবস্থায় নিজেকে কিংডম এর রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখেন গুলাপ সিং। তিনি হাত মেলান ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তখন ওই এলাকা নিজেদের অধীনে আনার জন্য পলাশীর আম্রকাননের মতোই নানা ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে চলছিল। সেই সময়ে একজন গোলাপ সিং নিজকে বৃটিশ অনুগত হিসেবে প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন ১৮৪১ সালের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে আফগানদের বিরুদ্ধে বৃটিশরা যুদ্ধ করেছিল। আর সেই যুদ্ধে বৃটিশদের পক্ষ অবলম্বন করেন তিনি। এরপর এলো তারই স্বজাতি শিখদের বিরুদ্ধে বৃটিশ যুদ্ধের দামামা।

আর সেক্ষেত্রেও গুলাপকে দেখা গেল রাজাকারের ভূমিকায়। ১৮৪৫ সালের নভেম্বর মাস। বৃটিশদের মধ্যে যুদ্ধ হলো সোবরানে। পলাশীর যুদ্ধের মতোই এটা শিখদের জীবনে সোবরান যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। হয়তো সেকারণেই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী গতকাল ভারতে বিজিপির দ্বারা কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা খর্ব করার বিরুদ্ধে সোচ্চার। কারণ তাদের ইতিহাসের সঙ্গে কাশ্মীরের সম্পর্ক আছে।

১৮৪৫ সালে শিখ মুক্তিযোদ্ধারা গুলাব সিংকে অনুরোধ করেছিলেন তাদেরকে আসন্ন যুদ্ধে সাহায্য করতে। কিন্তু গোলাব সিং কুটবুদ্ধির মানুষ। তিনি নানা ফন্দি-ফিকির করে তাদের সহযোগিতা থেকে বিরত থাকলেন। মীরজাফরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন। উইলিয়াম এডওয়ার্ড লিখেছেন, গুলাব সিং সেনাবাহিনীকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তিনি তাদের সঙ্গে যোগ না দেয়ার আগ পর্যন্ত বৃটিশদের বিরুদ্ধে হামলা না চালায়।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

কিন্তু তিনি সেই যোগদান আর কখনো করেননি। নানা অজুহাতে তিনি সেটা এড়িয়ে চলেন। কারণ, তিনি জানতেন কালক্ষেপণ করলে বৃটিশরা শিখদের পরাস্ত করতে পারবে। এবং বাস্তবে তাই ঘটলো। আর সেজন্য গুলাব ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। তিনি তার বিশ্বাসঘাতকতার জন্য লাহোর দরবারের ক্ষমতা পেলেন আর সেটাই তাকে উত্তর ভারতে ডোগরা কিংডম প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিল।

বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শিখদেরকেই দায়ী করলো যুদ্ধ বাধানোর জন্য। আর যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবি করলো দেড় কোটি রুপি।
তাদের পক্ষে সেটা দেয়া সম্ভব ছিল না। তখন লাহোরের দরবারের রাজা ছিলেন দুলীপ সিং। দুর্বল। তাই সহজেই তাকে অপসারণ করে বৃটিশরা লাহোর চুক্তির আওতায় গোলাপ সিংকে সার্বভৌম স্বাধীন সার্বভৌম নৃপতি হিসেবে ঘোষণা করা হলো।

১৮৪৬ সালের ৯ই মার্চ সই করা চুক্তির আওতায় নয়নাভিরাম কাশ্মীরের পাহাড়গুলো ছিল না। পরে তা পার্শ্বচুক্তি করে বৃটিশরা তার দখলদারিত্ব তুলে দেয়। এর সাত দিন পরেই সেই কুখ্যাত কাশ্মীর বিক্রি চুক্তি হলো। এ রকমের চুক্তির কথা ইতিহাসে কেউ কখনো শোনেনি যে, একটি জনগোষ্ঠীকে তার নদী-নালা খাল-বিল ক্ষেত-খামার সহ একজন মাত্র ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়া সম্ভব।

এটি হয়তো পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র কুখ্যাত চুক্তি যা দিয়ে একটা জাতি রাষ্ট্রকে বিক্রি করে দিয়েছিল বৃটিশ সরকার। তার ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বহু ধরনের অভিযোগের কথা, বহু কাহিনীর কথা বিশ্বের দেশে দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কিন্তু কাশ্মীরি চুক্তির মতো লজ্জাজনক বিক্রি আর কেউ কখনও শোনেনি ইতিহাসে। কিন্তু বৃটিশ সরকার তাদের অতীতের কৃতকমের্র বহু কিছুর জন্য তারা ক্ষমা প্রার্থনা করলেও এই কাশ্মীর বিষয়ে তারা নীরব।

৭৫ লাখ রুপিতে বিক্রি করে দেয়ার জন্য তারা কোনোদিন অনুশোচনা করেনি। ডোগরা শাসনে কাশ্মীরি জনগণের উপরে বিরাট নির্যাতন ও নিপীড়নের ইতিহাস সকলের কাছে সুবিদিত। কাশ্মীরের মুসলমানরা নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছিল। মুসলমানদের বিরুদ্ধে অন্যায় অত্যাচার নির্যাতন ছিল ডোগরা শাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এরপর এলো ১৯৪৭ সালের দেশভাগ। দেশভাগের মূলমন্ত্র ছিল হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল ভারতে যাবে।

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলো পাকিস্তানে যাবে। আর সে কারণে খুব স্বাভাবিকভাবেই জম্মু-কাশ্মীরের মুসলমানরা পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন। কিন্তু এখানেও আবার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাজা হরি সিং তখন জম্মু-কাশ্মীরের শাসক। তিনি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু এবং লর্ড মাউন্টব্যাটেনের সঙ্গে যোগসাজশ করলেন। কাশ্মীরিরা না যেতে পারল পাকিস্তানে, না পেল আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। সূত্র: মানবজমিন।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

যে পাঁচটি কথা বাবা-মাকে না বলাই ভালো

সন্তান লালন-পালন করা প্রত্যেক বাবা-মার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। সন্তান বড় হতে থাকলে, একটু একটু করে বাবা-মার সঙ্গে কথা বলাও শুরু করেন। এরপর যখন নিজের ব্যক্তিত্ব তৈরি হয়, তখন বাবা-মায়ের সঙ্গে অনেকে খুব খোলাখুলি সব কথা বলেন, আবার অনেকে তা করেন না।

তবে সন্তানকে মানুষ করার ধরনটা সবার এক রকম হয় না। কেউ হয়তো একটু বেশি বকাবকি করেন, কেউ আবার একটু কম। কিন্তু এমন কিছু কথা রয়েছে, যা বাবা-মাকে না বলাই ভালো। তবে চলুন জেনে নিই কোন কথাগুলো বাবা-মাকে বলবেন না-

১. ‘আমি তোমাকে ঘৃণা করি’ এই কথাটা যেকোনো অভিভাবকের কাছে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। সন্তান যত বড়ই হোক বা যত ছোটই হোক- এ কথা কখনোই বলা উচিত নয়।

২. ‘তোমরা যদি আমার বাবা-মা না হতে তবে ভালো হতো’- সম্ভবত প্রথম কথাটির চেয়েও এই কথাটি অনেক বেশি কষ্ট দেয় অভিভাবকদের।

৩. ‘তোমাকে এখন সময় দিতে পারব না’- বাবা-মায়েরা সন্তানকে বড় করে তোলার সময়ে অনেক আত্মত্যাগ করেন। কিন্তু উল্টোটা সব সময়ে দেখা যায় না। যদি ব্যস্ততার কারণেও বয়স্ক অভিভাবককে সময় দিতে না পারা যায়, তাহলেও এভাবে কথা বলা কখনো শোভন নয়।

৪. ‘তোমরা আমাকে জন্ম দিলে কেন’- সন্তানকে বকাবকি করার সময়ে বা তার কোনো বিষয়ে অসুবিধা প্রকাশ করলে অনেক সময়েই অভিভাবকদের এই কথা শুনতে হয়। বিশেষ করে বিবাহবিচ্ছেদের পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি শুনতে হয় এই অভিযোগ। কিন্তু এই কথাটাও সবচেয়ে বেশি আঘাত করে তাদের।

৫. ‘তুমি বোন বা ভাইকে বেশি ভালোবাসো’- অভিভাবকের কাছে তার সব সন্তানই সমান। হয়তো স্নেহের বহিঃপ্রকাশটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়ে থাকে। কিন্তু এটা কখনো ভাবা উচিত নয় যে, অন্য সন্তানকে তিনি বেশি ভালবাসেন এবং সেটা ভেবে তাকে কটু কথা বলা একেবারেই উচিত নয়।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

ইতালি থেকে ঈদ করতে এসে ডেঙ্গু, লাশ হয়ে ফিরলেন বাড়ি

গত কয়েকদিনে রাজধানীতে মহামারির রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। ছোট শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন ডেঙ্গু জ্বরে। সবার মধ্যে আতঙ্ক ডেঙ্গু নিয়ে। ইতিপূর্বে দেশে বিভিন্ন সময় ডেঙ্গু রোগ দেখা গেলেও এবারের মতো ভয়াবহ ছিল না। এবার যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তেমনি মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এবার সে খাতায় নাম লিখিয়েছেন হাফসা লিপি (৩৪) নামের এক প্রবাসী নারী।

স্বামী ও ফুটফুটে দুটি সন্তানসহ থাকতেন সুদূর ইতালিতে। আপনজনদের সাথে ঈদ করতে ছুটে এসেছিলেন দেশে। কয়েক দিন ঢাকায় থেকেই গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে যাবেন- এমনটাই ভেবেছিলেন ইতালি প্রবাসী নারী হাফসা লিপি। কিন্তু, মানুষ ভাবে এক, আর হয় আরেক। ঈদের আগেই গ্রামের বাড়ি ফিরলেন ঠিকই, তবে লাশ হয়ে। গোটা পরিবারের ঈদের আনন্দ মাটি করে ডেঙ্গু কেড়ে নিলো তার প্রাণ।

রবিবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান হাফসা লিপি। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। জানা যায়, তিন সপ্তাহ আগে স্বামী-সন্তান নিয়ে দেশে বেড়াতে আসেন হাফসা। কলাবাগানে আত্মীয়ের বাসায় উঠেছিলেন তারা। সেখানেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন হাফসার স্বামী সর্দার আবদুল সাত্তার তরুণ (৩৬)। কয়েক দিন পর জ্বর হয় হাফসারও।

কিন্তু হাসপাতালে না গিয়ে স্বামীর সাথে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার সকালে তাকে ভর্তি করা হয় আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে। এনএস-ওয়ান পরীক্ষায় ডেঙ্গু রোগের জীবানু পায় চিকিৎসকরা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। পারিবারিক কবরস্থানে স্বজনদের পাশেই ঠাঁই হলো হাফসার। কিন্তু মা হারা হয়ে গেলো তার দুই সন্তান অলি (১২) ও আয়ান(৬)।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

‘গঙ্গায় স্নান করলেই কাশ্মীরে নিহত শহিদদের রক্ত ধুয়ে যাবে না’

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে সোমবার সকাল থেকেই উত্তাল ছিল সংসদ। দিনভর নাটকের পর প্রায় ৬৯ বছরের ইতিহাস বদলে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার।তুলে দেওয়া হল সংবিধানের৩৭০ ধারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি আজ পাক সংবাদমাধ্যমেও দিনভর শিরোনামে ৩৭০ ধারা। শুধু পাক সংবাদমাধ্যমই নয়, কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে মুখ খুলেছেন পাক-তারকারাও।

এদিকে পাকিস্তানি অভিনেতা শান শাহিদ ৪ অগস্ট টুইটারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গঙ্গাস্নানের একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘গঙ্গায় স্নান করলেই কাশ্মীরে নিহত শহিদদের রক্ত ধুয়ে যাবে না’। তিনি আরও লেখেন, ‘আমার পরিবার ১৯৭১থেকে ভারতের নৃশংসতার বিরুদ্ধে কাশ্মীরিদের মুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে।’

অন্যদিকে আরেক পাকিস্তানি পরিচালক এবং অভিনেতা হামজা আলি আব্বাসি-ও নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে লেখেন, ‘মোদী সরকারের এই একটি সিদ্ধান্ত কাশ্মীরের সমস্ত রাজনৈতিক দলকে ভারতের বিরুদ্ধে একত্রিত করেছে। পাকিস্তানের প্রতিটি মানুষ আজ বিক্ষুব্ধ। ভারত তার সমস্ত মানবিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলেছে’।

‘রইস’ সিনেমাখ্যাত পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খানও ৫ অগস্ট তার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে লেখেন, ‘ভূস্বর্গ জ্বলছে। নিষ্পাপ মানুষ মারা যাচ্ছেন।’ এরপর হ্যাশট্যাগ দিয়ে মাহিরা লেখেন, ‘আমি কাশ্মীরের সঙ্গে আছি’। মাহিরার এই টুইট নিয়ে তৎক্ষণাৎ টুইটারেত্তিরা ভাগ হয়ে যান।কেউ কেউ যেমন তাকে সমর্থনও করেন আবার কেউ কেউ তাকে ভারতের ব্যাপারে নাক না গলানোর হুঁশিয়ারি দেন। একজন আবার লেখেন, চিনা মুসলিমদের দিকেও যেন মাহিরা নজর দেন। তাদের প্রতি অবিচারের বেলায় তিনি চুপ থাকেন কেন?

ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি জনগণের সম্পৃক্ততা থাকতে হবে বললেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে যখন ডেঙ্গুর প্রভাব ব্যাপকভাবে বিস্তার করছে এবং প্রতিনিয়তই রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে রোগী, যা সরকারি হিসেবে ২৭ হাজার বেসরকারি হিসেবে কয়েকগুণ বেশি। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতুবরণ করেছেন সরকারি হিসেবে ১৮ জন এবং বেসরকারি হিসেবে ৮০ জনেরও বেশি। বিবিসি: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি তা অস্বীকার করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমাদের সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি এ অভিযোগ একদম ঠিক না। দুই সিটি করপোরেশন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছিলো কিন্তু এর বিস্তার বেড়ে গিয়েছিল এবং সংবাদটি পাওয়ার পর মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে গেছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবে আমরা এ ব্যাপারে যথেষ্ট চিকিৎসার ব্যবস্থাও নিয়েছি।

বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরাসহ সকল শ্রেণির মানুষ নিয়ে ডেঙ্গু মোকাবেলায় চেষ্টা করছি। আমরা ডেঙ্গু মোকাবেলায় নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি। বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর ফি নির্ধারণ করে দিয়েছি। তাছাড়াও ব্যাপক নজরদারি চলছে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে। সামাজিক সচেতনতার বিকল্প নেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে ।

ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার দুই সিটি করপোরেশনের মনিটারিং সেল গঠনের নির্দেশ দিলে তা বাস্তবায়নও হয়েছে। যে সব বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা জমে থাকে সে সব বাড়ির লার্ভা ইতোমধ্যে ধ্বংস করার কাজ চলছে। আগামী বছর আমরা রাজধানীতে যে সমস্ত খাল আছে, যেখানে ডেঙ্গু বিস্তার করার সম্ভাবনা আছে সেই খালগুলো চিহ্নিত করে লার্ভা ধ্বংস করবো। ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছি যে সমস্ত বাড়িতে পানি জমে থাকবে সেই সমস্ত বাড়ির মালিককে জরিমানা করা হবে।

মূলত ডেঙ্গু মোকাবেলা জন্য শুধু সরকার কাজ করলেই হবে না । এ ক্ষেত্রে ডেঙ্গু অভিযানে জনগণের সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। সবচেয়ে জনগণের সচেতনতা ডেঙ্গু মোকাবেলায় কার্যকরি ভূমিকা পালন করবে। সম্পাদনা : আক্তারুজ্জামান

স্ত্রীর থেকে ২০ হাজার ধারের টাকায় স্বামী জিতল ২৮ কোটি!

পেশায় তিনি একজন কৃষক। ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা তিনি। নাম বিলাস রিক্কালা। চাষাবাদের কাজ তেমন ভালো যাচ্ছিল না বিলাস রিক্কালার। তাই নিজের সুদিন খুঁজতে দুবাইতে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ। অবশেষে আবার ফিরে আসেন নিজের দেশ ভারতে। ফিরে আসার আগে এমন একটা কাজ করে এসেছিলেন বিলাস রিক্কালা যা তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে।

শুধু বদলে দিয়েছে বলল ভুল হবে, তাঁকে ধনকুবের বানিয়ে দিয়েছে। কী এমন করেছিলেন তিনি? দুবাই থেকে আসার আগে বন্ধু রবিকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে এসেছিলেন তার জন্যে দুবাই শপিং ফেস্টিভাল-এ লটারির টিকিট কাটার জন্য।

নিজের ভাগ্য পরখ করে দেখার একটা শেষ চেষ্টা করতে বিলাস তার স্ত্রীর কাছে ধার এই টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু এবার সুদিনের মুখ দেখল বিলাস। শুধু সুদিন নয়, রাতারাতি কোটিপতি বনে যান হায়দরাবাদের এই কৃষক। ২০ হাজার টাকা দিয়ে লটারির টিকিট কেটে ভারতীয় মূদ্রায় প্রায় ২৮ কোটি ৪২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জিতেছেন বিলাস।

দুবাইতে গিয়েও কিছু না করতে পেরে যখন ফিরে আসেন, তখন আসল মাস্টারস্ট্রোকটা দিয়ে আসেন তিনি। দেশে ফেরার ৪৫ দিনের মাথাতেই ওই লটারি জেতার খবর আসে। লটারিতে ১.৫ কোটি দিরহাম (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৮ কোটি ৪২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা) জিতে নিয়েছেন তিনি।

পেশায় তিনি একজন কৃষক। ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা তিনি। নাম বিলাস রিক্কালা। চাষাবাদের কাজ তেমন ভালো যাচ্ছিল না বিলাস রিক্কালার। তাই নিজের সুদিন খুঁজতে দুবাইতে চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ। অবশেষে আবার ফিরে আসেন নিজের দেশ ভারতে। ফিরে আসার আগে এমন একটা কাজ করে এসেছিলেন বিলাস রিক্কালা যা তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে।

শুধু বদলে দিয়েছে বলল ভুল হবে, তাঁকে ধনকুবের বানিয়ে দিয়েছে। কী এমন করেছিলেন তিনি? দুবাই থেকে আসার আগে বন্ধু রবিকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে এসেছিলেন তার জন্যে দুবাই শপিং ফেস্টিভাল-এ লটারির টিকিট কাটার জন্য।

নিজের ভাগ্য পরখ করে দেখার একটা শেষ চেষ্টা করতে বিলাস তার স্ত্রীর কাছে ধার এই টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু এবার সুদিনের মুখ দেখল বিলাস। শুধু সুদিন নয়, রাতারাতি কোটিপতি বনে যান হায়দরাবাদের এই কৃষক। ২০ হাজার টাকা দিয়ে লটারির টিকিট কেটে ভারতীয় মূদ্রায় প্রায় ২৮ কোটি ৪২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জিতেছেন বিলাস।

দুবাইতে গিয়েও কিছু না করতে পেরে যখন ফিরে আসেন, তখন আসল মাস্টারস্ট্রোকটা দিয়ে আসেন তিনি। দেশে ফেরার ৪৫ দিনের মাথাতেই ওই লটারি জেতার খবর আসে। লটারিতে ১.৫ কোটি দিরহাম (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৮ কোটি ৪২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা) জিতে নিয়েছেন তিনি।

কনডমে ইয়াবা ভরে খেয়ে ফেলত তারা!

প্রতিদিন আমরা ইয়াবা পাচারের বিভিন্ন কৌশলের খবর পড়ে থাকি। কিন্তু এবার একটু ভিন্ন পদ্ধতিতে ইয়াবা পাচারের খবর পাওয়া গেছে। র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম জানিয়েছেন, গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকা থেকে অভিনব কায়দায় মাদক পরিবহনকালে মাদক চোরকারবারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানকালে চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন, মো. ফারুক হোসেন (৩৭), মো. শফিকুল ইসলাম ওরফে রমজান (২৯), আক্তারা বেগম (২৮) ও গৌতম চন্দ্র শীল (৩২)। তিনি জানান, গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ঢাকার দিকে আসছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযান দলটি বাসন থানার ওয়্যারলেস গেইট টু বিআরটিসি ডিপো রোডস্থ টিএন্ডটি অফিসের দক্ষিণ পাশে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ সময় আসামিদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৫৮৫ পিস ইয়াবা, ২১ ক্যান বিয়ার, ২৩ বোতল ফেনসিডিল, ৯টি মোবাইল ফোন, একটি মোটরসাইকেল ও এক লাখ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালানকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা টেকনাফ দিয়ে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে ইয়াবার চালান বিমান, ট্রেন অথবা সড়ক পথে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশে এলাকায় নিয়ে আসে।

জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের ভিত্তিতে ইয়াবা পাচারের অভিনব কৌশল সম্পর্কে র‌্যাব জানায়, তারা ইয়াবা ট্যাবলেটের চালান পেটের ভেতরে করে টেকনাফ থেকে ঢাকায় নিয়ে আসত। তারা তাদের এই অভিনব পন্থার প্রাথমিক পর্যায়ে ইয়াবা ট্যাবলেটের চালানটি ৫০ পিস করে কনডমের ভিতরে রাখে। এরপর কসটেপ পেচিয়ে তা খেয়ে ফেলে। যাতে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো নষ্ট না হয়।

পরবর্তীতে ইয়াবা ট্যাবলেটের চালানটি ঢাকায় নিয়ে আসার পর বেশি করে পানি অথবা অন্য খাবার খেলে পেটে চাপ পরে এবং খালি জায়গায় তা বের করে। তখন ইয়াবার চালানটি পলিথিনের জিপারে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হস্তান্তর করতেন তারা।

গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, সে বিগত প্রায় ১০ বছর যাবত গার্মেন্টেসে চাকুরি করত। বর্তমানে সে এলাকায় ইটের ব্যবসা করে। ইটের ব্যবসায় লাভবান না হওয়ায় স্বল্পসময়ে অধিক লাভবানের আসায় সে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। গ্রেপ্তার অপর আসামি গৌতম তার ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যবসার কাজে সহযোগিতা করে।