আজ মিন্নির জামিন নামঞ্জুর

বরগুনায় সদর কলেজ গেটের সামনে প্রকাশ্যে দিবালোকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় কারাবন্দি স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য শোনার পর বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

আইনজীবীরা জানান, আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। আসামিপক্ষ জামিন আবেদনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। এরপর বিচারক দুই পক্ষের শুনানি শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে তলব করেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিন্নির সংশ্লিষ্টতা বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করতে বলেন। পরে তথ্যগুলো যাচাই ও পুনরায় শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

আজ মিন্নিকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। মিন্নির আইনজীবী মাহাবুবুল বারী আসলাম জানিয়েছেন, রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় ১৫ জন স্বীকারোক্তি দিলেও মামলার প্রধান সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি তার জবানবন্দি প্রত্যাহার করতে চাচ্ছেন। তার দাবি, মিন্নিকে নির্যাতন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিওয়া হয়েছে।

মিন্নির আরেক আইনজীবী গোলাম মোস্তফা কাদের জানান, আজ মিন্নির জামিন আবেদনের পক্ষে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য আইন ও শালিশ কেন্দ্র থেকে অ্যাড. আব্দুর রশিদ, অ্যাড. নিলা গোস্বামী, লিগ্যাল এইড প্রধান ঢাকা জেলা জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী মো, ফারুক আহম্মেদ, ব্লাস্টের সমন্বয়ক অ্যাড. শাহিদা তালুকদার।

এ্যাডভোকেট এ জেড এম শহীদুজ্জামানসহ প্রায় ৩০ জন আইনজীবী বরগুনায় আসেন। উল্লেখ্য, দুপুরের দিকে জামিন শুনানি শুরু হয়।জামিনের জন্য আদালতে শুনানিতে মিন্নির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম, সদস্য অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা কাদের, ব্লাস্ট ও আসকের অ্যাডভোকেট দীপক চন্দ্র হালদার।

অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল নোমান, অ্যাডভোকেট সাহিদা বেগম, অ্যাডভোকেট আবদুর রশীদ, অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমানসহ প্রায় ৩০ জন আইনজীবী। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সঞ্জিব দাস, অ্যাডভোকেট মজিবুল হক কিসলুসহ আরো অনেকে।

নয়ন বন্ডকে ১২ লাখ টাকা কে দিয়েছিল, প্রশ্ন মায়ের?

সম্প্রতি মিন্নির শ্বশুর তার ছেলের হত্যাকাণ্ডে পুত্রবধূর জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করলে আলোচনা নতুন দিকে মোড় নেয়। ১৬ জুলাই বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে মিন্নিকে ডেকে নিয়ে গ্রেফতার করা হয়। এই মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ১৫ জনের সবাই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গত ২ জুলাই এই মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। মামলার এজাহারভুক্ত ১২ আসামির মধ্যে এখনও চারজন গ্রেফতার হয়নি।

তারা হচ্ছেন মুসা, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রায়হান ও রিফাত হাওলাদার। এদিকে রিফাত হত্যা মামলার অভিযুক্ত হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া কামরুল আহসান সাইমুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। সকালে আবেদনের পর দুপুরে সাইমুনের জামিন আবেদনের শুনানি হয়। পরে শুনানি শেষে আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইয়াসিন আরাফাত সাইমুনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাইমুনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা কাদের। নয়ন ও মিন্নির সম্পর্ক প্রমাণে ২০ আলামত জব্দ করেছে পুলিশ! বন্দুকযুদ্ধে নিহত নয়নের বাড়ি থেকে অন্তত ২০ ধরনের আলামত নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে নয়নের সঙ্গে মিন্নির ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের বেশকিছু ছবি, মিন্নির ব্যবহৃত লিপস্টিক, চিরুনি, চিরুনিতে আটকে থাকা মিন্নির চুল, কামিজ, চুলের ক্লিপ, ফেসপাউডার, চোখের ভ্রুতে ব্যবহৃত আই ব্রো, সিমকার্ড এবং কয়েকটি মোবাইল ফোনসেট।

নয়নের বাড়ি থেকে আলামত সংগ্রহের বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা বেশকিছু আলামত নয়নের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করেছি। বরগুনা পুলিশের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নয়নের সঙ্গে মিন্নির ঘনিষ্ঠতা ও বিয়ে প্রমাণ করতেই এসব আলামত জব্দ করা হয়েছে। নয়নের বাড়ির চিরুনিতে আটকে থাকা মিন্নির চুল ও তার ব্যবহৃত কয়েকটি জিনিস ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

সেই পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেন, মিন্নি যেহেতু বারবারই নয়নের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছেন তাই কিছু অকাট্য প্রমাণের প্রয়োজন। রিফাতের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়নের সঙ্গে মিন্নির ঘনিষ্ঠতা প্রমাণ করা গেলে রিফাত হত্যার জট অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে। অকাট্য প্রমাণ হাতে এলে তখন প্রমাণ করা সহজ হবে ঘটনার পর নিজেকে আড়াল করতেই কিভাবে মিন্নি একের পর এক মিথ্যা কথা বলে গেছেন।

এগুলোর মধ্যে একটি কামিজ, মিন্নির লেমিনেটিং করা একটি ছবি, চুল পেঁচানো চিরুনি ও এম প্লাস, এন খোদাই করা সামুদ্রিক ঝিনুক রয়েছে। এই ঝিনুকটি মিন্নি ও নয়ন কুয়াকাটা বেড়াতে গিয়ে সংগ্রহ করেছিলেন। মামলার আলামত হিসেবে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
নয়ন বন্ডকে ১২ লাখ টাকা কে দিয়েছিলো, নয়নের মায়ের প্রশ্ন?

রিফাত শরীফ হত্যার মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হলেও তাকে নিয়ে আলোচনা শেষ নেই। এবার তার মা দাবি করেছেন তার ছেলেকে একটি প্রভাবশালী মহল ষড়যন্ত্র করে মেরে ফেলেছে। তিনি বলেন, কে হ্যারে বন্ড বানাইলো, জিরো জিরো সেভেন বানাইলো, তোমরা খুইজা বের করো। বরগুনা শহরের ডিকেপি রোড এলাকায় নিহত সাব্বির আহমেদ নয়নের (নয়ন বন্ড) বাড়িতে বসে এসব কথা বলেন তিনি।

নয়নের মা অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে দোষী, এটা আমি জানি। কিন্তু সে-তো একদিনে নয়ন বন্ড তৈরি হয়নি। তাকে তৈরি করা হয়েছে। প্রভাবশালী মহল তাকে ব্যবহার করার জন্য নয়ন বন্ড হিসেবে তৈরি করেছে। কোন প্রভাবশালী মহল জানতে চাইলে শাহিদা বেগম বলেন, তা ঠিক বলতে পারবো না। তবে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ, তার মুখ থেকে যদি প্রভাবশালী মহলের সব অপকর্মের ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়, সেই জন্যই।

তিনি বলেন, আমি টিভির হেড লাইনে পাথরঘাটা বইসা দেখছি, কেউ একজন কইছে আমার ছেলে সীমান্তের কাছে আছে। সেই ছেলে তিন দিন পর কুয়াকাটা এসে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা যায় কীভাবে? তার সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন। তার হাতের নখ ও কান নাই। ওরা আমার বাবারে (নয়ন) মাইরা হালাইছে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে শাহিদা বেগম বলেন, আসল রহস্য আড়াল করার জন্য আমার ছেলেকে মাইরা ফ্যালা হইছে। আমার ছেলে তো খুনি ছিল না। সে মাদকসেবী ছিল। নিশ্চয়ই এর পেছনে অন্যকোনও কারণ আছে। তিনি আরো বলেন, নয়ন ভালো ছাত্র ছিল। কিন্তু ক্লাস টেন থেকে আস্তে আস্তে মাদকের জগতে প্রবেশ করে। আগে নয়ন বন্ড ১২ লাখ টাকাসহ ধরা পড়েছিলো। সে এত টাকা কোথায় পাইলো? কে দিলো? তোমরা খুইজা বের করো।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকালে প্রকাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজির নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা নির্মমভাবে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। ওইদিন বিকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত শরীফ মারা যান। এ ঘটনায় পরদিন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি ছিল নয়ন বন্ড। এরপর গত ২ জুলাই ভোর রাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয় সে।

জেনে নিন-ডেঙ্গু জ্বরের ঘরোয়া সমাধান! (ছবিসহ)

গত কয়েকদিনে রাজধানীতে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। ছোট শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন ডেঙ্গু জ্বরে। সবার মধ্যে আতঙ্ক ডেঙ্গু নিয়ে। প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। দেখতে দেখতে প্রায় মহামারির রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু জ্বর। ডেঙ্গু-আক্রান্ত রোগী ও এ রোগে মৃতের সরকারি আর বেসরকারি সংখ্যায় বিস্তর ফারাক। হাসপাতালগুলো ডেঙ্গু রোগী নিয়ে হিমশিম অবস্থায়।

তবে কিছু ঘরোয়া সমাধান আছে, যার মাধ্যমে সহজেই ডেঙ্গু থেকে বাঁচা যাবে। এক নজরে দেখে নিন ডেঙ্গু থেকে বাঁচার ঘরোয়া কিছু সমাধান-রক্তে প্লাটিলেট বাড়াবেন যেভাবে: রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা রক্তজমাটে সাহায্য করে। ২০ হাজারের নিচে প্লাটিলেটের সংখ্যা নেমে আসলে কোনো প্রকার আঘাত ছাড়াই রক্তক্ষরণ হতে পারে। কোনো কারণে রক্তে প্লাটিলেট কমে গেলে জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার মাধ্যমেই প্লাটিলেটের সংখ্যা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

কিছু খাবার আছে যেগুলো প্লাটিলেট বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। আসুন জেনে নেই সেসব খাবারের নাম। লেবুর রস: লেবুর রসে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। ভিটামিন সি রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়িয়ে তোলে। ফলে প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকেও রক্ষা পায়। আমলকী: আমলকীতেও আছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। এছাড়াও আমলকীতে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডিন্ট আছে।

ফলে আমলকী খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং প্লাটিলেট ধ্বংস হওয়া থেকে রক্ষা পায়। ডালিম: ডালিম রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর আয়রন রয়েছে যা প্লাটিলেট বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন ১৫০ মিলিলিটার ডালিমের জুস দুই সপ্তাহ পার করুন। ডালিমের রসের ভিটামিন দুর্বলতা দূর করে কাজে শক্তি দেবে।

অ্যালোভেরার রস: অ্যালোভেরা রক্তকে বিশুদ্ধ করে। রক্তের যেকোনো সংক্রমণ দূর করতেও অ্যালোভেরা উপকারী। তাই নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস পান করলে রক্তের প্লাটিলেটের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। পেঁপে এবং পেঁপে পাতা: পেঁপে খুব দ্রুত রক্তের প্লাটিলেটের পরিমাণ বাড়াতে সক্ষম। মালয়েশিয়ার এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলোজির একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে।

ডেঙ্গু জ্বরের কারণে রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেল পেঁপে পাতার রস তা দ্রুত বৃদ্ধি করে। রক্ত প্লাটিলেটের পরিমাণ কমে গেলে প্রতিদিন পেঁপে পাতার রস কিংবা পাকা পেঁপের জুস পান করুন। মিষ্টি কুমড়া এবং কুমড়া বীজ: মিষ্টি কুমড়া রক্তের প্লাটিলেট তৈরি করতে বেশ কার্যকরী। এছাড়াও মিষ্টি কুমড়াতে আছে ভিটামিন ‘এ’ যা প্লাটিলেট তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই রক্তের প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া এবং এর বীজ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

ডেঙ্গু হলে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ওষুধ খাওয়াবেন না

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। শনিবার তথ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বর্ষায় (এপ্রিল-অক্টোবর) ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। এ সময় অধিক সতর্ক থাকুন। ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা পরিষ্কার পানিতে বংশ বিস্তার করে। অফিস, ঘর ও আশপাশে পানি জমতে দেবেন না। যে কোনো পাত্রে জমিয়ে রাখা বা জমে থাকা পানি ৩ দিনের মধ্যে পরিবর্তন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায়। যথাসম্ভব লম্বা পোশাক পরিধান করুন। দিনে ঘুমানোর ক্ষেত্রেও মশারি ব্যবহার করুন।

তীব্র জ্বর, মাথা ব্যথা ও মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীরে লালচে দানা ইত্যাদি ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ হলেও সাম্প্রতিককালে এর ব্যতিক্রম পাওয়া যাচ্ছে। জ্বরে প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। রোগীকে বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়ান।

এ ছাড়া জ্বর হলে নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ ও ডেঙ্গু জ্বরের পরীক্ষা করুন। জ্বর ভালো হওয়ার পরও ডেঙ্গুজনিত মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন ও হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করুন। বাসস

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। শনিবার তথ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বর্ষায় (এপ্রিল-অক্টোবর) ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। এ সময় অধিক সতর্ক থাকুন। ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা পরিষ্কার পানিতে বংশ বিস্তার করে। অফিস, ঘর ও আশপাশে পানি জমতে দেবেন না। যে কোনো পাত্রে জমিয়ে রাখা বা জমে থাকা পানি ৩ দিনের মধ্যে পরিবর্তন করুন। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায়। যথাসম্ভব লম্বা পোশাক পরিধান করুন। দিনে ঘুমানোর ক্ষেত্রেও মশারি ব্যবহার করুন।

তীব্র জ্বর, মাথা ব্যথা ও মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীরে লালচে দানা ইত্যাদি ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ হলেও সাম্প্রতিককালে এর ব্যতিক্রম পাওয়া যাচ্ছে। জ্বরে প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। রোগীকে বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়ান।

এ ছাড়া জ্বর হলে নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ ও ডেঙ্গু জ্বরের পরীক্ষা করুন। জ্বর ভালো হওয়ার পরও ডেঙ্গুজনিত মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন ও হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করুন। বাসস

অপহরণ ব্ল্যাকমেইল থেকে শুরু করে দেহ ব্যবসা সবই করত এই স্বামী স্ত্রী

কুমিল্লায় র‌্যাব ১১ সিপিসি-২ এর সফল অভিযানে নগরীতে ভয়ংকর এক অপরাধ জগতের অবসান হলো। অপহরণ, ব্ল্যাকমেইল, অস্ত্র, ইয়াবা, দেহ ব্যবসা থেকে শুরু করে বহু অপরাধের মূল হোতা স্বামী-স্ত্রী দুজনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা পেনড্রাইভ ও মোবাইল মেমোরিকার্ড থেকে উদ্ধার হওয়া কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকার নারী পুরষ সহ অন্তত ২০/২২ জন ভিকটিমের ভিডিও উদ্ধার হয়।

যেখানে নানা ভাবে নারী, অস্ত্র ও মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী, চাকরিজীবী, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষার্থী ও একাধিক প্রবাসীও রয়েছেন। নগরীর হাউজিং এস্টেট এলাকার ৩টি ভাড়া বাসায় চলতো এসব অপকর্ম। আর এর সাথে জড়িতদের কয়কজনের পরিচয় পেয়ে র‌্যাব সহ সাংবাদিকদের ও ভাবিয়ে তুলেছে। সঙ্গবদ্ধ এই চক্রের সাথে জড়িত নেতা, কথিত সাংবাদিক, নকল প্রশাসনের লোক ও সরকারি চাকরিজীবী সহ ৮/৯ জন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণের ধনাইতরী গ্রামের মৃত হাকিমের ছেলে চইব্রাহিম নামের একজনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নগরীর হাউজিং এর ব্লক এ সেকশন-৪ প্লট নং ১ কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আব্দুল হাফিজের ৩য় তলার বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ধনাইতরীর ইউসুফের ছেলে মাহফুজ ও মাহফুজের স্ত্রী রিনাকে আটক করে র‌্যাব। আটকের খবর পেয়ে ভুক্তভোগী অনেকেই র‌্যাবের অফিসে এসে অভিযোগ করতে দেখা গেছে।

তাজুল নামে এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, গত ডিসেম্বরে রাস্তা থেকে ডেকে বাসায় ঢুকিয়ে আমাকে উলঙ্গ করে শারিরীক নির্যাতন করে ১ লাখ টাকা আদায় করে, এখনো নানা ভাবে হুমকি দামকি দিচ্ছে, তাদের আটকের খবর পেয়ে আসছি আমিও তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করব। তাদের কঠিন শাস্তি দাবি করতে দেখা যায় অনেকের মুখেই। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই মুখ না খুল্লেও আটকের খবরে অনেককেই মুখ খুলতে দেখা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ এর ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রনব কুমার জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাহফুজ ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তারা সমাজের ধনাঢ্য ব্যাবসায়ী, চাকরিজীবী দের টার্গেট করে মেয়ে ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে উলঙ্গ করে ভিডিও ধারণ করে টাকা আদায় করত। টাকা না দিলে ব্ল্যাকমেইল করত।

ছবি ফেইসবুক সহ সামাজিক মাধ্যমে ছেড়ে দেবার হুমকি দিত। এ সময় আসামিদের কাছ থেকে পেনড্রাইভসহ কিছু ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়েছে। আসামি মাহফুজের বিরুদ্ধে অস্ত্র মাদকসহ একাধিক মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গোপনে দেশ ত্যাগের চেষ্টা প্রিয়ার স্বামী মলয় সাহার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ নিয়ে ভয়ংকর মিথ্যাচার করেছেন বাংলাদেশি নারী প্রিয়া সাহা। সে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ নিয়ে সরকারের উচ্চ মহল থেকে শুরু করে দেশের সকল মানুষের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

একই সাথে প্রিয়ার সাহার এই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের সঙ্গী হওয়ায় তার স্বামী মলয় সাহাকেও অতিদ্রুত চাকুরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে সরকারের প্রতি। এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন প্রিয়া সাহার স্বামী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক মলয় সাহাও। এ লক্ষ্যে তিনি তিনবার ছুটির আবেদন দিয়েছিলেন।

তবে দুদক প্রশাসন তার আবেদন মঞ্জুর করেনি। মলয় সাহার পাসপোর্টে মার্কিনযুক্ত রাষ্ট্র সফরের সিল থাকায় গোপনে এখন তিনি দেশ ছাড়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। সূত্রটি জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাত করে দেশ ও সরকার বিরোধী তৎপরতার বিষয়টি প্রিয়া সাহার দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার ফসল। এ ধরণের তৎপরতার পর তিনি যদি দেশে ফিরতে না পারেন এ লক্ষ্যে স্বামী-সন্তানসহ ওই দেশেই থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলো।

কারণ, সংখ্যালঘুদের ওপর কথিত নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরে নালিশ জানানো এবং সহযোগিতার পর বাংলাদেশে কি প্রতিক্রিয়া হতে পারে- সেটি তিনি জানতেন। অত্যন্ত সচেতনভাবে প্রিয়া সাহা এটি করেছেন। এটির জের স্বামী মলয় সাহার ওপরও বর্তাবে- এটিও নিশ্চিত ছিলেন তিনি। ফলে প্রিয়া-কান্ডের পরপরই পর্দার অন্তরালে চলে যান মলয় সাহা। তার ব্যবহার্য মোবাইল নম্বরটি কখনো বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

আবার কল হলেও ওই প্রান্ত থেকে কেউ ধরছে না। যাবতীয় তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে ফেসবুক প্রোফাইল থেকেও। শো করছে না ইমু আইডিও।
এছাড়া সেগুনবাগিচাস্থ দুদক কার্যালয়ে তার কক্ষে গিয়েও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রিয়া সাহার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই অফিস করছেন না মলয় সাহা। কোনো ছুটিও নেননি। সংস্থার সব কর্মকর্তা-কর্মচারির মুখে মুখে শুধু মলয় সাহা ও প্রিয়া সাহা।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

সেই সঙ্গে রয়েছে প্রিয়া সাহার প্রতি ধিক্কার ও ঘৃণা। বিশেষ করে প্রিয়া সাহার এ ঘটনার পর স্বামী মলয় সাহা দুদক কর্মকর্তা হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আবারো নেতিবাচক ভাবে মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। মলয় সাহা আত্মগোপনে থেকে দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার মলয় সাহা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হননি দুদক প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা। এমনকি তার ঘনিষ্ট সহকর্মীরাও তার বিষয়ে কোনো কথা বলতে না রাজ।

এদিকে প্রিয়া এবং মলয়স সাহার দুই কন্যা প্রজ্ঞা পারমিতা সাহা ও ঐশ্বর্য লক্ষী সাহা যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশুনা করলেও বর্তমানে বাংলাদেশেই অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। মলয় সাহা তাদের সঙ্গে নিয়েই আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি আত্মগোপনে রয়েছেন।

গোয়েন্দাদের চোখ ফাঁকি দিতে ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছেন। যদিও মলয় সাহার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ধরণের অভিযোগ আনা হয়নি। কোনো মামলাও দায়ের হয়নি। তবে তার কাছ থেকে তথ্য উদ্ধার এবং সেই লক্ষ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা সংস্থা হন্যে হয়ে খুঁজছে বলে জানায় সূত্র।

প্রিয়া সাহাকে নিয়ে বোমা ফাটালেন সংসদ শামীম ওসমান!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ নিয়ে ভয়ংকর মিথ্যাচার করেছেন বাংলাদেশি নারী প্রিয়া সাহা। সে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ নিয়ে সরকারের উচ্চ মহল থেকে শুরু করে দেশের সকল মানুষের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

একই সাথে প্রিয়ার সাহার এই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের সঙ্গী হওয়ায় তার স্বামী মলয় সাহাকেও অতিদ্রুত চাকুরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে সরকারের প্রতি। এদিকে প্রিয়া সাহাকে নিয়ে বোমা ফাটিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। তিনি বলেন, প্রিয়া সাহা নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন।

আজ শনিবার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্ষিকী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রিয়া সাহা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সাংসদ শামীম ওসমান বলেছেন, কোথাকার কোন প্রিয়া সাহা। সে গিয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে নালিশ করেছে ডোলান্ড ট্রাম্পের কাছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প কি, বাংলাদেশের লটকা? মনে হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রভু!

ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রভূ না। বাংলাদেশের প্রভু হচ্ছে জনগণ আর সেই জনগণ তার গার্জিয়ান বানিয়েছে শেখ হাসিনাকে। কারো কাছে জমা টেক্স দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা হন নাই। ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার নালিশ দেওয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে শামীম ওসমান বলেন, ওই মহিলা অন্য কোনো কারণে করে নাই। উনি কারো থেকে বুদ্ধি নিয়েছেন, শিক্ষা নিয়েছেন তারপর বলেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের দুইটা শ্রেণী আছে একটা সুশীল শ্রেণী একটা কুশীল শ্রেণী। আমরা হইলাম কুশীল আর কেউ হইছে সুশীল। এরা নিজেরাই নিজেদের সুশীল বলে। আমি পার্লামেন্টে বলছিলাম একদিন একজন সুশীলের নামে। উনার মেয়ের থেকেও অল্প বয়সের মেয়েকে উনি বিয়ে করেছেন যখন বাচ্চা হয়ে গেছে ৬ মাসের মাথায়, তখন বলছিলাম বাব্বাহ সুশীলের তো অনেক জোর দেখা যায়!

উনি আবার একজন বড় অ্যাডভোকেট, আইনের প্রফেসর। আমি আবার উনার নাম বলতে চাই না। শামীম ওসমান বলেন, এমন অনেক সুশীল-কুশীল খেলা বাংলাদেশে চলতেছে, সামনে আরও অনেক খেলা আছে। প্রিয়া সাহার মেয়ে দুইটা থাকে আমেরিকায়। উনি চিন্তা করছেন, এই একটা সহজ জিনিস আছে। উনি ওটা উনার ব্যক্তিগত স্বার্থে বলেছেন। রাজনৈতিক আশ্রয় চাবেন। আর কিছু না। তিনি ওখানে দেখাবেন, আমি দেশে গেলে আমাকে মেরে ফেলবে।

দেখবেন দুই চারদিনের মধ্যে এটা উনি বলবেন। আরেকটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থা। ওটা অন্য একটা দেশ। ছোট একটা দেশ। যারা সারা পৃথিবীর অন্য জায়গায় হামলা করে। ওদেরও কিছু হাত-টাত আছে এখানে। বুঝি আরকি। প্রিয়া সাহা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, উনি বলতে গিয়ে সংখ্যা একটু বেশি বলে ফেলছেন। তিন কোটি ৭০ লাখ না হয়ে যদি শুধু ৭০ হইতো, জিনিসটা খাইতো। ২০০১ এর পরতো ২০-৫০ লাখ লোক বিএনপি-জামাতের অত্যাচারে দেশ ছাড়ছে, ৭৫ এর পর ছাড়ছে, ৭১ এর পর ছাড়ছে না? ওটা যদি তিনি সঠিক ভাবে বলতেন, তাহলে শ্রদ্ধার পাত্র হতেন না।

নয়ন বন্ডের মায়ের দাবির প্রেক্ষিতে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে কোন বিচার বহিভূর্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। এটা এক ধরণের প্রপাগান্ডা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আপনারা যেটাকে বিচার বহিভূর্ত হত্যাকাণ্ড বা ক্রসফায়ার বলছেন? তারা (অপরাধী) সকলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে চ্যালেঞ্চ জানিয়েছেন এবং দুই পক্ষের সংঘষের মাঝেই তারা নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশো অনুষ্ঠানে সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীত হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামী নয়ন বন্ডের মায়ের দাবি- ছেলেটা অপরাধী হলে আইনের হাতে তুলে দিতে পারত। তার বিচার হতো। আদালত যে শাস্তি দিত তা সে ভোগ করত কিন্তু তাকে ক্রসফায়ারের নামে মেরে ফেলল। কেন তাকে মেরে ফেলা হল। সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ নয়ন বন্ডসহ অসংখ্য ভিকটিমের পরিবারের সদস্যদের এমন দাবি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কখনও বিচার বহিভূর্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটায়নি। আমি সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে বলতে পারি সরকার কখনও বিচার বহিভূর্ত হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে না। এটা এক ধরনের প্রপাগান্ডা সরকারের প্রতি। মূলত বর্হিবিশ্বে সরকারে ভাবমূর্তি সংকটে ফেলানোর জন্যই এমন মিথ্যাচার। এসময় সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ বলেন, ইতোমধ্যে যে সকল ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে সরাদেশব্যাপী।

প্রত্যেকটি ঘটনার মোটিভ অভিন্ন এবং হাইকোর্ট বলছে বিচার বহিভূর্ত হত্যাকাণ্ড তারা পছন্দ করেন না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গতানুগতিক ভাষায় কথা বলেছেন, অপরাধীকে সঙ্গে নিয়ে বের হওয়ার পর, তাকে ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে ওৎপেতে থাকা তার বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলির এক পর্যায়ে তার (অপরাধী) মৃত্যু হয়। এতে কি সন্দেহ হওয়ার যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে না?

এর জবাবের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এভাবে যদি আপনারা (সাংবাদিকরা) বলেন, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর অবিচার করা হবে। বহু ঘটনায় আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আহত ও নিহত হয়েছেন। এটা কিন্তু দেশবাসী দেখেছে। এসময় সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহ ক্ষমা চেয়ে বলেন, পুরো দেশবাসী কিন্তু ভিন্ন কথা বলছে এবং অনেক ক্ষেত্রে জনগণ ক্রসফায়ারকে সমর্থন করছে। এতে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উৎসাহী হয়ে পড়েছে। এটা কি এক সময় শাসন ব্যবস্থার জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে না?

এর জবাবে মন্ত্রী পুনরায় একই কথা বলেন, সরকার বিচার বহিভূর্ত হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে না। বর্তমান সরকার বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করে দিয়েছে। প্রতিটি হত্যাকান্ডের পর (ক্রসফায়ার) ম্যাজিস্ট্রিট তদন্ত করে রিপোর্ট প্রধান করেন। এখানে কোন ধরনের অন্যায় করার সুযোগ নেই। এটা আপনার জানেন। আমরা আইনের শাসনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। বিচারের বাইরে সরকার কোন হত্যাকাণ্ডকেই সমর্থন করছে না। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা আপনাদের।

একি শোনালনে রানা দাশগুপ্ত!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ নিয়ে ভয়ংকর মিথ্যাচার করেছেন বাংলাদেশি নারী প্রিয়া সাহা। সে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ নিয়ে সরকারের উচ্চ মহল থেকে শুরু করে দেশের সকল মানুষের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। একই সাথে প্রিয়ার সাহার এই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের সঙ্গী হওয়ায় তার স্বামী মলয় সাহাকেও অতিদ্রুত চাকুরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে সরকারের প্রতি।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে দেওয়া প্রিয় সাহার বক্তব্য বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নয় বলে জানিয়েছেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে প্রিয়া সাহার পৈতৃক বাড়িটি যে অগ্নিসংযোগ ধ্বংস করা হয়েছে, এটি সত্য। তার বাড়ি গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের নির্বাচনী এলাকায় হওয়ায় প্রিয়া সাহা আমার সামনেই মন্ত্রীর (শ ম রেজাউল করিম) কাছে বিচার চেয়েছিলেন। কিন্তু মন্ত্রী তার সঙ্গে কথা বলতেও অনীহা প্রকাশ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার ঔদ্ধত্যপূর্ণ মনগড়া অভিযোগের ৮ দিন পর বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক, কাজল দেবনাথ, বাসুদেব ধর।

নির্মল রোজারিও, মঞ্জু ধর, ভদন্ত সুনন্দপ্রিয় মহাথেরো, নির্মল চ্যাটার্জী, মনীন্দ্র কুমার নাথ এবং অ্যাডভোকেট তাপস কুমার পাল প্রমুখ।
রানা দাশগুপ্ত বলেন, ব্যক্তির বক্তব্যকে পুঁজি করে সম্প্রদায় বিশেষকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর যে ঘৃণ্য অভিসন্ধি আমরা লক্ষ করেছি তা দুঃখ ও দুর্ভাগ্যজনক।

এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী গত ২১ জুলাই ২০১৯ তারিখে লন্ডন থেকে প্রিয়া সাহার কাছ থেকে ব্যাখ্যা জানার আগে তার বিরুদ্ধে কোন আইনী ব্যবস্থা না নেয়ার পাশাপাশি তার পরিবারের জীবন ও সম্পদ রক্ষার ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা গোটা জাতিকে আশ্বস্ত করেছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে আন্তরিক স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, এটিও অস্বীকারের উপায় নেই, বিগত দশ বছরে অন্তত এ সরকারের আমলে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় বেশ খানিকটা অগ্রগতি ঘটেছে। তবে শত্রু (অর্পিত) সম্পত্তি আইন বাতিল হয়ে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক সদিচ্ছায় প্রণীত হলেও তার বাস্তবায়ন আজো থমকে আছে। রাষ্ট্রীয় মৌলনীতি হিসেবে সংবিধানে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা।

ফিরে এসেছে ঠিক, তবে সাম্প্রদায়িক আবরণ ও আভরণ থেকে তা আজো মুক্ত হতে পারে নি। পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে অগ্রগতি আছে, তবে আরো অনেক কিছু করার বাকী আছে। সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহারে প্রদত্ত অঙ্গীকার পূরণের পাশাপাশি অনতিবিলম্বে সংখ্যালঘু সমস্যাবলী নিরূপণে ও তা থেকে উত্তরণে সুপারিশ প্রণয়নের জন্যে সংসদীয় কমিশন গঠনের দাবী জানান।

ক্রুজে আমার মেরিলিন মনরো মুহূর্ত’ (ভিডিও)

বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি অনেক দিন কোনো সিনেমাতে অভিনয় করছেন না। কিন্তু তাই বলে তিনি হারিয়েও যাননি। নাচের অনুষ্ঠানের বিচারক তিনি। এ ছাড়া নিজের রান্নার নতুন নতুন ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার সবসময় অ্যাক্টিভ তিনি। শিল্পা কখন কোথায় কী করছেন সবকিছুই তার ভক্তদের নিয়মিত শেয়ার করে জানিয়ে দেন।

তবে এবার তিনি যা করলেন তা দেখে হেসে ফেললেন সকলে। এমনকি শিল্পাও হাসি আটকাতে পারলেন না। তিনি সমুদ্রের মধ্যে একটি জাহাজের উপর দাঁড়িয়ে মজা করে করছিলেন ফটোশুট। করছিলেন স্লো মোশনে ভিডিও। একটি অরেঞ্জ চেক ড্রেস পড়েছিলেন শিল্পা। সমুদ্রের হাওয়ায় উড়ে গেল শিল্পার জামাটি। সঙ্গে সঙ্গে ফটোশুট ছেড়ে নিজের পোশাক সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন তিনি।

এই ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করলেন অভিনেত্রী নিজে। ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে শিল্পা ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখার অনুরোধ করে লিখেছেন, ‘ক্রুজে আমার মেরিলিন মনরো মুহূর্ত।’ এ ছাড়া শিল্পা তার ফিটনেসের ভিডিও শেয়ার করেন প্রায়ই। বলিউড এই অভিনেত্রীর বয়স এখন ৪৪, কিন্তু তার ফিটনেস দেখার মতো। শিল্পা জানিয়েছেন শুধু তিনিই নয়, তার পোষ্যও যথেষ্ঠ ফিটনেস ফ্রিক।

বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি অনেক দিন কোনো সিনেমাতে অভিনয় করছেন না। কিন্তু তাই বলে তিনি হারিয়েও যাননি। নাচের অনুষ্ঠানের বিচারক তিনি। এ ছাড়া নিজের রান্নার নতুন নতুন ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার সবসময় অ্যাক্টিভ তিনি। শিল্পা কখন কোথায় কী করছেন সবকিছুই তার ভক্তদের নিয়মিত শেয়ার করে জানিয়ে দেন।

তবে এবার তিনি যা করলেন তা দেখে হেসে ফেললেন সকলে। এমনকি শিল্পাও হাসি আটকাতে পারলেন না। তিনি সমুদ্রের মধ্যে একটি জাহাজের উপর দাঁড়িয়ে মজা করে করছিলেন ফটোশুট। করছিলেন স্লো মোশনে ভিডিও। একটি অরেঞ্জ চেক ড্রেস পড়েছিলেন শিল্পা। সমুদ্রের হাওয়ায় উড়ে গেল শিল্পার জামাটি। সঙ্গে সঙ্গে ফটোশুট ছেড়ে নিজের পোশাক সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন তিনি।

এই ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করলেন অভিনেত্রী নিজে। ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে শিল্পা ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখার অনুরোধ করে লিখেছেন, ‘ক্রুজে আমার মেরিলিন মনরো মুহূর্ত।’ এ ছাড়া শিল্পা তার ফিটনেসের ভিডিও শেয়ার করেন প্রায়ই। বলিউড এই অভিনেত্রীর বয়স এখন ৪৪, কিন্তু তার ফিটনেস দেখার মতো। শিল্পা জানিয়েছেন শুধু তিনিই নয়, তার পোষ্যও যথেষ্ঠ ফিটনেস ফ্রিক।