যে ছবি মন কেড়েছে অনেকের

কোনো ব্যক্তি বা কোনো বিষয়কে বিখ্যাত করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে প্রায়ই কৃতিত্ব দেওয়া হয়। এই মাধ্যমে এমন কিছু পোস্ট বা ছবি ভাইরাল হয় যা মানুষের হৃদয় স্পর্শ করে যায়।

সম্প্রতি স্যান্ডেল হাতে পাঁচ শিশুর সেলফি তোলার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। পাঁচ শিশুর নিষ্পাপ হাসি মন কেড়েছে অনেকের।

তবে এই শিশুরা কোথাকার বা এই ছবির আলোকচিত্রী কে, তা জানা যায়নি। অনেকে আবার বলছেন, ছবিটি ফটোশপ করা।

শুধু বাংলাদেশেই নয়, ভারতেও এই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে এই ছবি শেয়ার করেছেন অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি।

গত কয়েক দিন ধরে ফেসবুক ও টুইটারের হোমপেজে ঘুরছে এই ছবি। বাংলাদেশের অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী এই ছবি শেয়ার করে তাদের মুগ্ধকার কথা জানিয়েছেন।

আহসান নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‌‘মুগ্ধকর ছবি। এমন অকৃত্রিম হাসি বহু দিন দেখি না।’

টুইটারে একজন ব্যবহারকারী ছবিটি শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, ‘যখন জীবন তোমাকে দেবে একটি স্যান্ডেল, তোলো সেলফি।’

অনেক বলিউড তারকাও ছবিটি শেয়ার দিয়ে তাদের অনুভূতির কথা জানিয়েছেন।

ইনস্টাগ্রামে ছবিটি শেয়ার দিয়ে অভিনেতা বোমান ইরানি লিখেছেন, জীবনে খুশি থাকার জন্য বেশি কিছু লাগে না। ছবিটি প্রশংসার দাবিদার।

প্রযোজক অতুল কাসবেকার টুইটারে ছবিটি শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, ‘শিশুদের নিষ্পাপ হাসি আমাকে মুগ্ধ করেছে। কেউ তাদের খোঁজ জানালে আমি তাদের জন্য উপহার পাঠাতাম।’

তবে অমিতাভ বচ্চন মনে করছেন, ছবিটি ফটোশপ করা। অতুলের পোস্টের নিচে মন্তব্যের ঘরে অমিতাভ লিখেছেন, ‘আমার মনে হচ্ছে ছবিটি ফটোশপ করা। যে হাতে স্যান্ডেল ধরা হয়েছে সেখানে লক্ষ্য করুন, শরীরের আকৃতির তুলনায় সেটিতে কী পার্থক্য আর অপর হাতটিও!’

অপহরণের হাত থেকে বোনকে বাঁচাল ছোট ভাই।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বৃষ্টি আক্তার (১৩) নামের এক অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণের হাত থেকে নিজের বোনকে বাঁচাল ছোট ভাই। জানা গেছে, বৃষ্টি আক্তার নামে ওই ছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। এসময় ছোট ভাই সিয়ামের (১১) সাহসিকতায় অপহরণকারীরা ওই ছাত্রীকে রেখে পালিয়ে যায়। সোমবার (৮ জুলাই) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ৯নং দক্ষিণ চর আবাবিল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের কবিরাজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ছাত্রী বর্তমানে রায়পুর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। ছাত্রীর বাবা কৃষক ফিরোজ আলম বলেন, তাঁর মেয়ে এলাকার উধমারা উচ্চ বিদ্যায়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। রাত ৮টায় ঘরের সামনে সিঁড়িতে বসে আমার ছোট ছেলে সিয়ামের সাথে গল্প করছিলেন। এসময় হঠাৎ করে ২ জন মুখোশ পরা দুর্বৃত্তরা এসে বৃষ্টির মুখের সামনে স্প্রে মেরে অজ্ঞান করে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল।

তখনই তার পাশে থাকা ছোট ছেলে সিয়াম ঘর থেকে একটি দাও নিয়ে ওই দুই দুর্বৃত্তদের ধাওয়া দেয়। একপর্যায়ে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন বেরিয়ে এলে অপহরণকারীরা বৃষ্টিকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. জাকির হোসেন বলেন, মেয়েটি এখনও ভালো করে কথা বলতে পারছে না। তবে সে সুস্থ রয়েছে।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোতা মিয়া বলেন, এ ঘটনাটি থানা পুলিশকে কেউ অবহিত করেনি। যদি কেউ কোন অভিযোগ করে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘আমার মেয়েকে একা পেয়ে সে আবু তাহা সাদী নষ্ট করেছে’

অসুস্থ বড়বোনকে চিকিৎসা দিতে শেরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন শ্রীবর্দী উপজেলার আনোয়ার জাহিদ বাবু। হাসপাতালে ইনজেকশন দেওয়া শেষে হঠাৎ দেখেন মানুষের জটলা। কৌতূহল থেকেই এগিয়ে যান। কিন্তু গিয়ে দেখেন নিজের মেয়ের মরদেহ! এ দৃশ্য দেখে যেন আকাশ ভেঙে পড়ে আনোয়ার জাহিদ বাবুর মাথায়। মেয়ের বেওয়ারিশ লাশ বলে হাসপাতালে ফেলে রেখে গেছে স্কুলের আয়া।

তবে আনোয়ার জাহিদ বাবুর দাবি, তার মেয়েকে নষ্টের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে স্কুলের পরিচালক আবু তাহা সাদী। আর এজন্য ওই নরপিশাচসহ জড়িতদের ফাঁসি চেয়েছেন তিনি। গত রোববার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিহত নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া আনুশকা আয়াত বন্ধনের (১৪) মরদেহের ময়নাতদন্ত চলাকালীন এমনটাই জানান তার পিতা আনোয়ার জাহিদ।

শেরপুরের শ্রীবর্দী উপজেলা সদরের পূর্বছনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার জাহিদ বাবু। তার মেয়ে আনুশকা শেরপুর সদরের ফৌজিয়া মতিন পাবলিক স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। চতুর্থ শ্রেণিতে এ স্কুলে তাকে ভর্তি করানো হয়। এ স্কুলের ছাত্রীনিবাসের দু’তলার একটি কক্ষে শেরপুর সরকারি কলেজের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রী রিয়ার সঙ্গে থাকতো আনুশকা।

মেয়েটির বাবা আনোয়ার জাহিদ বাবু বলেন, ‘ছাত্রীনিবাস হওয়ায় সেখানে পরিচালক আবু তাহা সাদী ছাড়া আর কেউ যেতে পারতেন না। গত শনিবার সকাল ৯টার দিকে আমার স্ত্রী সাদীর ফোন থেকে আনুশকার সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় ৫ মিনিট মা-মেয়ের কথা হয়। কথা বলার সময় আমার মেয়ে খুবই স্বাভাবিক ছিল। তবে ওই সময় ছাত্রীনিবাসে আর কেউ ছিলেন না। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময়ই আমার মেয়েকে একা পেয়ে আবু তাহা সাদী নষ্ট করে।

পরে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত থাকলে আমি তারও কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’ তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে- স্কুল থেকে একজন আয়া দিয়ে আমার মেয়ের মরদেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসক মৃত ঘোষণার পর ওই আয়াও সেখানে ছিল না। উপস্থিত চিকিৎসক ও পুলিশ সবারই সন্দেহ নষ্টের পর আমার মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই আবু তাহা সাদী, তার স্ত্রী নাজনীন মোস্তারি নূপুর ও সাদীর ভাই শিবলীকে আটক করা হয়েছে। তবে কেন এবং কী কারণে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এ বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। মরদেহের ময়নাতদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

দুই নায়িকার প্রকাশ্যে চুম্বন, ভিডিও ভাইরাল

গভীরভাবে দুই নায়িকা চুম্বন করলেন। একে অন্যের ঠোঁটে ঠোঁট। নাহ এটা কোনো ছবির দৃশ্য নয়। বাস্তব ঘটনা। আর তাতেই ফের শিরোনামে উঠে এলেন নিয়া শর্মা। সম্প্রতি বলিউডের একটি হোলি পার্টিতে গিয়েছিলেন নিয়া। সেখানে ঢোকার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেই মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী রেহনা পণ্ডিত।

পার্টিতে ঢোকার আগে সকলের সামনেই একে অপরকে চুম্বন করেন দুই নায়িকা। সেই ভিডিও আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। নিয়া এবং রেহানা ভাল বন্ধু। কয়েক বছর আগে একসঙ্গে ‘জামাই রাজা’ নামে একটি শো করতেন তারা। তাদের ফ্যাশন স্টেটমেন্টও ইন্ডাস্ট্রির আলোচনায় থাকে। আবার শপিং অথবা ডিনারেও এই দুই নায়িকাকে অনেক সময়ই একসঙ্গে দেখা যায়।

কিন্তু এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু কুরুচিকর মন্তব্যও সহ্য করতে হয়েছে তাদের। যদিও সেসব নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি তারা।

https://www.facebook.com/gnsrequirements/videos/401187190680127/