যে সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্ তায়ালা মনের বাসনা পূর্ণ করেন | পড়ুন বিস্তারিত ...

যে সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্ তায়ালা মনের বাসনা পূর্ণ করেন

পবিত্র কুরআন শরীফে ১১৪ টি সুরা আছে। প্রতিটি সুরার আছে স্পেশাল কিছু বিশিষ্ট। নিচে এমন একটি সুরার বর্ণনা দেওয়া হলো যার ফজিলত অপরিসীম;। আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না। সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ করে আল্লাহ্’র দরবারে দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক আশা পূর্ন করেন। যে ব্যক্তি দৈনিক এশার নামাজ পর এই পাক নামটি ইয়া জাহিরু ১০০বার পাঠ করে তার মনের সকল নেক বাসনা পূর্ণ হয়।নামাযে কত রাকাত পড়েছেন তা নিয়ে সংশয়ে পড়লে যা করবেন, জেনে নিন !

ভুল করা, ভুলে যাওয়া, বিস্মরিত হওয়া – এগুলো মানুষ্য স্বভাবের পরিপন্থী নয়। অনেকেরই এমন হয় যে নামায পড়াকালীন রাকাত সংখ্যা নিয়ে সংশয় হতে থাকে। চেষ্টা করেও স্মরণ করা যায় না কত রাকাত পড়া হয়েছে এটা যেমন অধিকাংশ হয়ে থাকে নামাযে ব্যক্তির অমনোযোগিতার কারণে, আবার কারো ক্ষেত্রে নামাযের পাঠ্য তাসবিহাত ও কেরাতের অর্থের মাঝে খুব বেশি ডুবে যাওয়ার কারণেও হয়।

তবে দুঃখজনকভাবে এটা কারো নিয়মিত হতে থাকে এবং তারা চেষ্টা করেও কত রাকাত পড়া হয়েছে তা মনে রাখতে পারেন না। করণীয় জানা না থাকায় আরও সমস্যার সম্মুখীন হন যে কি করা উচিত এ সময়। নিম্নে এ সম্বন্ধে মাসআলা উল্লেখ করা হল-নামায পড়াকালীন রাকাত-সংখ্যা নিয়ে সংশয়ে পড়লে, যে সংখ্যার প্রতি প্রবল ধারণা হবে তা ধরে নিয়ে অবশিষ্ট রাকাত পূর্ণ করবে। এক্ষেত্রে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না।

পক্ষান্তরে রাকাত সংখ্যার ব্যাপারে যদি কোনো ধারণাই প্রবল না হয় তাহলে সম্ভাব্য সংখ্যার মাঝে কম সংখ্যাটি ধরে ঐ সংখ্যা হিসাবে অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক রাকাতের শেষে বৈঠক করে তাশাহহুদ পড়তে হবে এবং শেষ বৈঠকে সিজদায়ে সাহু দিয়ে নামায শেষ করবে। উল্লেখ্য যে, নামায পড়াকালীন এ ধরনের সংশয় বেশিরভাগক্ষেত্রে মনোযোগহীনতার কারণে হয়ে থাকে। তাই একাগ্রতা ও খুশু-খুযুর সাথে নামায আদায়ের প্রতি সবিশেষ যত্নবান হতে হবে।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

সূত্র : কিতাবুল আছল ১/২২৪, ফাতহুল কাদীর ১/৪৫২, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৪২৯, রদ্দুল মুহতার ২/৯৩, বাদায়েউস সানায়ে ১/৪০৩, ফাতাওয়া খানিয়া ১/১২০ স্বামীর অনুমতি ছাড়া কোনো স্ত্রী চাকরি করলে কি হয়?  স্বামী যদি স্ত্রীকে চাকরির অনুমতি না দেন, তাহলে ওই স্ত্রী চাকরি করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে চাকরির অনুমতি না দেওয়া স্বামীর জন্য জায়েজ রয়েছে। স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্ত্রী চাকরি করতে পারবেন না, এটি তার জন্য জায়েজ নেই। এই কাজটি স্ত্রী করলে তিনি গুনাহগার হবেন।

স্ত্রীকে যদি স্বামী চাকরির অনুমতি দেন, সে ক্ষেত্রে স্ত্রীর এই টাকা সম্পূর্ণ তাঁর স্ত্রীর মালিকানা সাব্যস্ত হবে। এই টাকা তিনি তাঁর বাবা-মা, আত্মীয়স্বজনকে দিতে পারবেন বা যেখানে খুশি সেখানে দান সদকাও করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে স্বামী যদি পরামর্শদাতা হিসেবে কোনো পরামর্শ দিতে চান, তাহলে দিতে পারবেন। তবে স্বামীর এই পরামর্শ গ্রহণ করা স্ত্রীর জন্য ওয়াজিব নয়, বাধ্যতামূলক নয়। স্ত্রী স্বাধীনভাবে তাঁর নিজের টাকা খরচ করতে পারবেন।

যেহেতু স্বামী তাঁর স্ত্রীকে চাকরি করার অনুমতি দিয়েছেন, সুতরাং এই টাকা নিজের ইচ্ছামতো ব্যয় করা স্ত্রীর জন্য জায়েজ রয়েছে।জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় ইসলাম বিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’ দ‍র্শকের এক প্রশ্নের জবাবে উত্তর দিয়েছেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাঃ দৈনিক পাঁচবার নামাজ পড়লে মানুষ শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবে!  মুসলিমরা দিনে পাঁচবার নামাজ পড়ে। এর মাধ্যমে মূলত আল্লাহর একটি আদেশ পালন হয়। সেই সাথে আল্লাহর সাথেও সাক্ষাত হয়। একটি হাদিসে এসেছে, নামাজ হচ্ছে মুমিনের মেরাজ।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, তারপর তোমরা নামাজ শেষ করার পর দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে সব অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করতে থাকো। আর মানসিক প্রশান্তি লাভ করার পর পুরো নামাজ পড়ে নাও। আসলে নামাজ নির্ধারিত সময়ে পড়ার জন্য মুমিনদের ওপর ফরয করা হয়েছে। (সুরা নিসা: ১০৩)

নামাজের এই বিধানটি মুসলমানদের জন্য অনেকভাবেই উপকারী। বিশেষভাবে নামাজ মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়। যেই মানুষিক চাপগুলো আমাদের দৈনন্দিনের জীবনে তৈরি হয়। নামাজ বিশেষভাবে মহান আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। কেননা নামাজের মাধ্যমেই আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিংহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা এটা প্রমাণ করেছে যে, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার মাধ্যমে মানুষ স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও উপকৃত হতে পারে এবং শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারে।

গবেষকরা বলেছেন, নামাজের সময় শারীরিক যে ক্রিয়া হয়ে থাকে এটা যদি নিয়মিতভাবে ও নির্ধারিত সময়ে হয় তবে অন্য সকল চিকিৎসা থেকে পিঠের ব্যথা কমানোর ক্ষেত্রে বেশি ভূমিকা পালন করবে এই নামাজ। শারীরিক এই উপকার ছাড়াও নামাজ আল্লাহর সাথে মানুষের সম্পর্ক বৃদ্ধি করে। আর এই সম্পর্ক মানুষের আত্মাকে প্রশান্ত করে।

নিয়মিত নামাজ শরীরের উপর এই ঝিম প্রভাব, রক্তচাপ এবং হৃদস্পন্দন কমাতে পারে, পরিণামে পেশী শিথিল করতে সাহায্য করে ।পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, তারাই এ ধরনের লোক যারা (এ নবীর দাওয়াত) গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর স্মরণে তাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়। সাবধান হয়ে যাও। আল্লাহর স্মরণই হচ্ছে এমন জিনিস যার সাহায্যে চিত্ত প্রশান্তি লাভ করে। (সূরা রাদ: ২৮)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিংহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখিয়েছেন, যদি কেউ ঠিক মত রুকু করতে পারে তাহলে তার পিঠে কোন ব্যাথা থাকবে না। কেননা রুকুর সময়ই পিঠ সময় হয়ে থাকে।এই গবেষণায় মূলত নামাজ পড়লে শারীরিক যে উপকারগুলো হবে সেই বিষয়গুলোকেই বড় করে তুলে ধরা হয়েছে। রুকু: নীচের পিঠ, উরু এবং ঘাড়ের পেশীগুলি সম্পূর্ণভাবে প্রসারিত করে। রক্ত শরীরের উপরের অংশে প্রবাহিত হয়।

সিজদা : সিজদা দিলে হাড়ের জোড়ার নমনীয়তা বাড়ে। মাথা নামানোর সময় মস্তিকে রক্ত সঞ্চালন হলে রক্তচাপও কমে, এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। সিজদার পুনরাবৃত্তি: এই সিজদা শরীরিরে ভারসাম্য এনে দেয়। এটা সত্য যে নামাজ শারীরিক উপকারের জন্য পড়তে হয়না। নামাজ পড়তে হয় মহান আল্লাহর আদেশ পালন করার জন্য। বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত নামাজ পড়ে থাকেন তারা শারীরিক অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকেন। এবং তাদের রোগ ব্যাধির হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*