মাত্র ৪৮ হাজার টাকায় মোটরসাইকেল | পড়ুন বিস্তারিত ...

মাত্র ৪৮ হাজার টাকায় মোটরসাইকেল

হোন্ডা মোটরসাইকেল অ্যান্ড স্কুটার ইন্ডিয়া ‘সিডি ১১০ ড্রিম ডিএক্স’ নামে নতুন মোটরসাইকেল বাজারে এনেছে। শহরের বাইরে বিশেষ করে গ্রামের বাজার ধরতে হোন্ডা কম দামে নতুন এ মোটরসাইকেল বাজারে এনেছে।

নতুন এই বাইকের দাম ৪৮ হাজার ৬৪১ টাকা। বাইকটি মূলত কালো রঙের। এর সঙ্গে বিভিন্ন রংয়ের কম্বিনেশনে পাওয়া যাচ্ছে। যেমন- কেবিন গোল্ড, গ্রিন মেটালিক, গ্রে সিলভার মেটালিক, লাল এবং ব্লু মেটালিক। ১১০ সিসির ‘সিডি ১১০ ড্রিম ডিএক্স’ বাইকটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৮৬ কিলোমিটার।

কবিরাজ: তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০

নতুন জীবনের আশায় রাজধানী ছাড়ল সেই পথশিশু ও মা জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় আসা ভিটেমাটিহারা সেই পথশিশু ও মা রাতের গাড়িতেই নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন নিয়ে কুড়িগ্রাম ফিরে যাচ্ছেন। দুই বছর আগে নদীর ভয়াল থাবা ভিটেমাটি গ্রাস করে নিলে পাথুরে শহর ঢাকায় এসেছিলেন তারা।

গত শুক্রবার হাজার অসহায় মানুষের মতো রাস্তায় জ্বর নিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ফরিদা (৩৫)। এ সময় অসুস্থ মাকে বাঁচাতে মাথায় পানি ঢালছে তিন বছরের ছেলে ফরিদুল। পাশে বসে রাস্তার খাম্বায় হেলান দিয়ে আছে ১১ বছরের বামন মেয়ে।

এমন মানবিক দৃশ্যের ছবি তুলে সাক্ষী হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাইফুল ইসলাম জুয়েল নামে এক পথচারী। এরপরই এমন দৃশ্যের ভিডিও ধারণ করেছে পারভেজ হাসান নামে এক পথচারী। আর সেটি স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

পরে যুগান্তর এ মানবিক ঘটনার সংবাদ প্রকাশ করে। পরে দেশ-বিদেশ থেকে সাহায্যের জন্য অসংখ্য ফোন আসে। এমন সাহায্যের আশ্বাসে রোববার রাতেই ওই পরিবারের খোঁজে নামে যুগান্তর টিম। অনেক অনুসন্ধানের পরে তাদের খুঁজে পেয়ে জানতে চাওয়া হয় তাদের স্বপ্নের কথা।

তখন তারা জানায় ইটপাথুরে ঘেরা কোটি মানুষের শহর ঢাকা ছেড়ে নিজ গ্রামে ফিরে যেতে চান। আর এই খবর ‘বাড়ি ফিরে যেতে চান সেই অসুস্থ মা’ শিরোনামে প্রকাশ করে যুগান্তর অনলাইন। এরপর এমন মানবিক সংবাদ নজরে আসে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসকের।

পরে তিনি ওই পরিবারের খোঁজ নিতে যুগান্তরের সহযোগিতা নিয়ে বুধবার ঢাকায় আসেন। সরেজমিনে গিয়ে কথা বলে সেই পথশিশু ও মায়ের দায়িত্ব নেন। এমন মানবিক ঘটনা প্রকাশের জন্য যুগান্তরকে ধন্যবাদ দেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক। সেই সঙ্গে যারা ওই পরিবারকে সহযোগিতা করেছে তাদেরও ধন্যবাদ জানান। আর জেলা প্রশাসকের এমন আশ্বাসেই ঢাকা ছেড়ে কুড়িগ্রাম যেতে রাজি হন সেই পথশিশু ও মা।

এছাড়া যুগান্তরের সংবাদ দেখে ঢাকাস্থ কুড়িগ্রাম সমিতির মহাসচিব ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তিনি ও তার সংগঠন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সমন্বয় করে ওই পরিবারকে সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দেন। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর আসাদগেট থেকে ছেড়ে যাওয়া কোচে কুড়িগ্রাম সমিতির তত্ত্বাবধানে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তারা।

এদিকে রাতে কুড়িগ্রাম সমিতির মহাসচিব মো. সাইদুল আবেদীন ডলার জানান, ঢাকা থেকে ওই পরিবারের সবকিছু গুছিয়ে সমিতির স্বেচ্ছাসেবকসহ তিনি তাদের কুড়িগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া গাড়িতে তুলে দেন। এ সময় কুড়িগ্রাম সমিতির অন্যান্য নেতারা ও সেফটি স্কুলের নির্বাহী পরিচালক সাখাওয়াত স্বপনসহ উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রাত ৮টার দিকে কুড়িগ্রাম সমিতির সভাপতি প্রাইভেটকারে করে তাদের কলাবাগান ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে আসাদগেট বাসস্ট্যান্ডে নিয়ে যান। ওই পরিবারের সবাইকে নতুন জামাকাপড়, খাবার ও নগদ টাকা হাতে তুলে দেন।

কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি ও যুগান্তরের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি মো. আহসান হাবীব নিলু জানান, সকালে তিনি কুড়িগ্রাম থেকে পথশিশু ও তাদের মাকে স্ট্যান্ড থেকে জেলা প্রশাসকে কার্যালয়ে নিয়ে যাবেন। তিনি বলেন, ওই পরিবারের জন্য সব রকমের সহযোগিতা করা হবে।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোসাম্মত সুলতানা পারভীন যুগান্তরকে জানান, কুড়িগ্রামে পৌঁছার পরে তাদের থাকা-খাওয়াসহ সব ধরনের ব্যবস্থা তিনি করবেন। নতুন ঘরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তার তত্ত্বাবধানে থাকবে ওই পরিবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*