ভারতে আয়ে শীর্ষে সালমান খান, দ্বিতীয় কোহলি | পড়ুন বিস্তারিত ...

ভারতে আয়ে শীর্ষে সালমান খান, দ্বিতীয় কোহলি

২০১৮ সালে আয়ের দিক থেকে ভারতে শীর্ষে বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। বলিউডের সবচেয়ে বেশি ব্যবসা সফল সিনেমা রয়েছে সালমান খানের দখলে। চলতি বছরে এই সুপারস্টারের আয় ২৫৩.২৩ কোটি রুপি। সালমান খানের ঠিক পরেই অবস্থান ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির। আয়ের দিক থেকে ভারতের সেরা ১০০ জনের তালিকায় দুই নম্বরে আছেন কোহলি। ২০১৮ সালে কোহলির আয় ২২৮.০৯ কোটি রুপি।

ফোর্বস ইন্ডিয়ার এই তালিকায় পাঁচ নম্বরে আছেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। চলতি বছরে তার আয় ১০১.৭৭ কোটি রুপি। ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যাওয়া শচীন টেন্ডুলকারের চলতি বছরে আয় ৮০ কোটি রুপি। ফোর্বস ইন্ডিয়ার ১০০ সেলিব্রিটির তালিকায় ১০০টি সেঞ্চুরি করে অবসরে যাওয়া শচীন আছেন নবম স্থানে। ফোর্বস ইন্ডিয়ার ১০০ জনের তালিকায় সেরা ১০ যারা আছেন:

১. সালমান খান (আয় ২৫৩.২৫ কোটি রুপি)। ২. বিরাট কোহলি (আয় ২২৮.০৯ কোটি রুপি)। ৩. অক্ষয় কুমার (আয় ১৮৫ কোটি রুপি)। ৪. দিপীকা পাড়ুকোন (আয় ১১২.৮ কোটি রুপি)। ৫. মহেন্দ্র সিং ধোনি (আয় ১০১.৭৭ কোটি রুপি)। ৬. আমির খান (আয় ৯৭.৫ কোটি রুপি)। ৭. অমিতাভ বচ্চন (আয় ৯৬.১৭ কোটি রুপি)। ৮. রণভীর সিং (আয় ৮৪.৬৭ কোটি রুপি)। ৯. শচীন টেন্ডুলকার (আয় ৮০ কোটি রুপি)। ১০. অজয় দেবগন (আয় ৭৪.৫ কোটি রুপি)।

ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দলে সুযোগ পেল ৬ বছরের ক্রিকেটার! অবাক করা ঘটনা। বয়স মাত্র ৬ বছর। এই বয়সেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন আর্চি শিলার। যদিও দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে। ছোট শিলার এই স্বপ্নও দেখছেন যে, ভারতের সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলির উইকেট এনে দিতে পারেন তিনি। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার চার টেস্টের প্রথমটি শুরু হবে ৬ নভেম্বর অ্যাডিলেডে। তবে মেলবোর্নে বক্সিং-ডেতে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টের দলে যোগ দেবেন শিলার। দীর্ঘ সময় কথাবার্তার সময় নিজের ক্রিকেটীয় জ্ঞান দিয়ে তিনি অবাক করে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জাস্টিন ল্যাঙ্গারকে।

চেকিং দেখেই গাড়ি ফেলে চলে গিয়েছে, দরজা খুলে চোখ কপালে পুলিশের

দলের সঙ্গে বেইমানি করব না

বিয়ের দিনে কনের সাজে প্রেমিকের কবরে প্রেমিকা

শুধু তাই নয়, লাঙ্গারকে শিলার এও বলেছেন, নিজের লেগস্পিন দিয়ে তিনি এনে দিতে পারেন বিরাট কোহলির উইকেটও। কিন্তু কীভাবে এই ৬ বছরের বালক অস্ট্রেলিয়া দলে? পেছনের কারণটি অবশ্য কোনো মজার ঘটনা নয়, বরং করুণ। এই বয়সেই হৃদযন্ত্রে তিনবার অপারেশন হয়েছে। কিন্তু পুরোপুরি সুস্থ হননি শিলার। আবারও অস্ত্রোপচার লাগতে পারে তার। তবে সেক্ষেত্রে প্রাণ যাওয়ার ভয় আছে। চিকিৎসকরা তার মা-বাবাকে এটা জানিয়েছেনও।

প্রথম যখন সাত ঘণ্টার অস্ত্রোপচার হয়, তখন শিলারের বয়স মাত্র তিনমাস। দ্বিতীয়বার হয় ছয় মাস বয়সে। আর গত ডিসেম্বরে অর্থাৎ একবছর আগে হয়েছে ওপেনহার্ট সার্জারি। কিন্তু এতোসবের মধ্যেও ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্ন দেখা থামায়নি শিলার। তার ভাষায়, ‘অন্যদের মতো আমি ছুটতে পারি না, তবে লেগস্পিন করে চমকে দিতে পারি।’ যে শিশু সারাদিন ক্রিকেট নিয়ে মত্ত, সে যেন তার স্বপ্নের নায়কদের সঙ্গে অন্তত কয়েকটা!

দিন কাটাতে পারে সেই জন্যেই এই অভিনব উদ্যোগ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের। ল্যাঙ্গার বলেছেন, ‘অভিষিক্ত ওপেনার মার্কাস হ্যারিসের মত তাকে সুযোগ দেয়া হবে। সে ড্রেসিংরুমে আসবে। সবার সঙ্গে দেখা করবে। তার হাতে ব্যাগি গ্রিন (অজিদের টেস্ট ক্যাপ) তুলে দেয়া হয়েছে। সে এখন দলের সদস্য। এটুকু বয়সে সে অনেকদিন হাসপাতালে শুয়ে কাটিয়েছে। তার মুখে হাসি দেখার জন্য এই সামান্য কাজটা করে আমরা গর্বিত।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*