সৌদি ফ্যাশন জগতের নতুন মুখ রাজকুমারী নোরা | পড়ুন বিস্তারিত ...

সৌদি ফ্যাশন জগতের নতুন মুখ রাজকুমারী নোরা

কেবল মাত্র কালো পোশাকে শরীর ঢেকে বাইরে বের হওয়া বাধ্যতামূলক ছিল সৌদি আরবের নারীদের। তবে সম্প্রতি এই ঐতিহ্যবাহী কালো পোশাকের পরিবর্তে দেশটিতে রঙিন পোশাক চালু হয়েছে। তাদের স্বাভাবিক পোশাকে পরিণত হতে যাচ্ছে রঙিন আবায়া (সৌদি আরবের নারীদের বিশেষ পোশাক)। আর এবার আরো এক বদল আনলেন রাজকুমারী নোরা বিনতে ফয়সাল আল-সৌদ। সৌদি ফ্যাশন জগতের নতুন মুখ তিনি।

মালয়েশিয়ান মেয়েরা যে কারণে বাংলাদেশি ছেলেদের বিয়ে করতে পাগল !!

ভিডিওর ভয় দেখিয়ে প্রতিদিন স্কুলভ্যান থেকে নামার পরই…

সৌদি আরবে ৫ যুবরাজ গুম

চলতি মাসের শুরুর দিকে দেশটিতে আয়োজন করা হয়েছিল একটি ফ্যাশন উইকের। তবে এটি ছিল শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য। সৌদি আরবের মতো রক্ষণশীল দেশে এই ধরনের কোনো অনুষ্ঠান এই প্রথম। সেখানে র‌্যাম্পে হেঁটেছেন মূলত বিদেশি মডেলরাই। সৌদি নারীরা ছিলেন দর্শকের আসনে। এই উদ্যোগের পিছনে ছিলেন ৩০ বছর বয়সী এই রাজকুমারী নোরা। সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতার প্রপৌত্রী তিনি।

সৌদি আরবে পোশাক নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উৎসাহ দেয়ার বিষয়টি এর আগে কখনওই সেভাবে গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু নোরা আরব ফ্যাশন কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট পদে আসার পর ছবিটা বদলাচ্ছে। জাপানের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেছেন রাজকুমারী। সেখানে থাকার সময় থেকেই ফ্যাশন দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি।

সৌদির রক্ষণশীল সমাজে মহিলাদের পোশাক বিধি নিয়ন্ত্রণ করে শুধুমাত্র পুলিশ এবং বিচারবিভাগ। সম্প্রতি পোশাকের এই বদলকে রক্ষণশীলতার বিরোধিতা হিসেবে মানতে নারাজ তিনি। কেউ কেউ নারীদের পোশাকের এই পরিবর্তনের বিরোধীতা করছেন। এ ব্যাপারে এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নোরা বলেন, ‘আমি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী বুঝতে পারছি। সৌদি আরবের একজন নাগরিক হিসেবে আমি আমার সংস্কৃতিকে সম্মান করি, সম্মান করি আমার ধর্মকে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আবায়া অথবা আমাদের পোশাক পরার ধরণের কারণে কেউ যদি আমাদের রক্ষণশীল বলেন তাহলে বলব এটা আমাদেরই অংশ। এটি আমাদের সংস্কৃতির অংশ… এমনকি কোথাও বেড়াতে গেলেও আমরা এভাবেই যাই, এটাই আমাদের জীবন।’

নোরা আয়োজিত ফ্যাশন উইকে শুধুমাত্র মহিলাদেরই প্রবেশাধিকার ছিল। ক্যামেরাতেও ছিল নিষেধাজ্ঞা। এ নিয়ে প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনার মুখেও পড়েছেন তিনি। কিন্তু নোরা সেই সমালোচনারও জবাব দিয়েছেন। বলেছেন, ‘রক্ষণশীল হওয়ার জন্য নয়, বরং মহিলারা যাতে স্বচ্ছন্দে শো-গুলো উপভোগ করতে পারেন, তার জন্যই এই ব্যবস্থা করেছি।’

এবার বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে মিয়ানমার গেল রোহিঙ্গা পরিবার!

নির্যাতিত নারীদের জন্য নোবেল বিজয়ের অর্থ খরচ করবেন এই নারী

মানবসম্পদ সূচকে ভারত ও পাকিস্তানকে টপকে গেছে বাংলাদেশ

নোরা বলেন, ‘এখানে এসে আমি নিরাপদ বোধ করেছি। কারণ ক্যামেরা নিষিদ্ধ থাকায় এখানে কেউ আমার ছবি তুলতে পারছে না। আমি এই ব্যাপরটিতে খুব মজা পেয়েছি।’ গত মাসে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সিবিএস টিভিকে নারীদের পোশাকের ব্যাপারে বলেন, ‘ইসলামে শরীয়া আইন খুবই স্পষ্ট। নারীরা পুরুষদের মতোই মার্জিত ও শালীন পোশাক পরবেন।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামে কালো রঙের আবায়ার বাধ্যবাধ্যকতা নেই। নারীদের ইচ্ছেমতো তাদের সম্মানহানী না হয় এমন শালীন ও মার্জিত পোশাক পছন্দ করার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে।’ যুবরাজরে পাশাপাশি বিশিষ্ট আলেম শেখ আহমেদ বিন কাশিম আল-গামদিও ইসলামে শুধু কালো রঙের আবায়ার অনুমোদনের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। পবিত্র মক্কা নগরীর ধর্মীয় পুলিশের সাবেক এই প্রধান সৌদি মালিকানাধীন আল-অ্যারাবিয়া টেলিভিশনকে বলেন, ‘ইসলামে বর্ণিত ঢিলাঢালা পোশাকের অর্থ মার্জিত ও শালীন পোশাক পরা। শুধু কাল রঙের পোশাক পরা নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*