এবার কাশ্মীর নিয়ে মুখ খুললেন নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই।

কাশ্মীরের নারী ও শিশুদের নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন নোবেলজয়ী পাকিস্তানি মানবাধিকার কর্মী মালালা ইউসুফজাই। ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকেই কাশ্মীরে সংঘর্ষ চলছে। এমন পরিস্থিতিতে কাশ্মীরি শিশু এবং নারীদের নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) টুইট করে মালালা লিখেছেন, ‘কাশ্মীরের মানুষ সহিংসতার মধ্যে বাস করছে। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন থেকে।

এমনকি যখন আমার বাবা-মা ছোট ছিলেন তখন থেকেও। আমার দাদু-দিদা যখন অল্পবয়সি ছিলেন তখন থেকেও। সাত দশক ধরে হিংসার মধ্যে দিয়ে বড় হয়ে উঠেছে কাশ্মীরি শিশুরা।’ কাশ্মীরি শিশু ও মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে মালালা বলেন, ‘হিংসায় সবচেয়ে বিপন্ন কাশ্মীরি শিশু ও মহিলাদের জন্য আমি উদ্বিগ্ন। আমাদের এখনও এই সব কষ্ট পাওয়ার এবং একে-অপরকে আঘাত করার কোনও প্রয়োজনই নেই।’

কাশ্মীরে শান্তি বজায় রাখার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আরজি জানিয়ে মালালা বলেছেন, ‘আশা করব, দুর্গতদের রক্ষা করতে ব্যবস্থা নেবে সকল দক্ষিণ এশীয় নাগরিক, আন্তর্জাতিক মহল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যে চুক্তিই হোক, সবার আগে মানবিক অধিকার রক্ষা, শিশু ও মহিলাদের নিরাপত্তা এবং শান্তির দিকে জোর দিতে হবে।’

উল্লেখ্য, কাশ্মীর ইস্যুতে ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে পাকিস্তান বহিষ্কার করেছে। একই সঙ্গে দিল্লিতে নিযুক্ত পাক রাষ্ট্রদূতকে ইসলামাবাদে ফেরত আসতে বলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই কাশ্মীর ইস্যুতে মুখ খুললেন মালালা।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

মোদী সরকারকে ৮ বা ১০ মিনিটের চ্যালেঞ্জ কাশ্মীরিদের

সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের ফলে কাশ্মীর এখন মৃত্যুপুরীতে রূপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিবিসির সাংবাদিক শুভজ্যোতি ঘোষ। তিনি বর্তমানে কাশ্মীরে অবস্থান করছেন। শুভজ্যোতি ঘোষ কাশ্মীর থেকে বিবিসিকে বলেছেন, ভারত সরকারকে মাত্র ৮ বা ১০ মিনিটের জন্য কারফিউ প্রত্যাহারের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কাশ্মীরিরা।

বুধবার শুভজ্যোতি ঘোষ শ্রীনগরে পৌঁছান। কিন্তু প্রথম ২৪ ঘন্টায় অনেক চেষ্টা করেও তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি বিবিসি কর্তৃপক্ষ। অবশেষে বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) অল্প সময়ের জন্য তিনি কথা বলতে পেরেছিলেন লণ্ডনে সহকর্মীদের সঙ্গে। সেই কথোপকথনে কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন তিনি : শ্রীনগরে পা রাখার পর ২৪ ঘন্টারও বেশি পেরিয়ে গেছে, কিন্তু মনে হচ্ছে যেন মৃত্যু উপত্যকায় এসে পৌঁছেছি।

রাস্তাঘাটে এক শ’ গজ পরপরই সেনা চৌকি আর কাঁটাতারের ব্যারিকেড। রাস্তায় যত না সাধারণ মানুষ, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি সেনা আর আধা সেনা। মানুষের ছোট ছোট কিছু জটলা। আমার হাতে বিবিসির মাইক দেখেই তারা এগিয়ে আসছেন কথা বলতে। ৩৭০ ধারা এবং কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রাতারাতি বিলুপ্ত হওয়ার পর তারা কতটা বিক্ষুব্ধ, সেটা তাদের চেহারাতেই স্পষ্ট।

কেউ কেউ তো বলছেন, দশ মিনিটের জন্য কাশ্মীরে জারি করা কারফিউ তুলে নেয়ার হিম্মত দেখাক সরকার, তারপরই তারা দেখবে দলে দলে কত মানুষ রাস্তায় নামে এর প্রতিবাদ জানাতে। সরকারও সেটা নিশ্চয়ই জানে, তাই তো গোটা কাশ্মীর উপত্যকা এখন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে দেয়া হয়েছে। ঝিলমের তীরে এখন যে স্তব্ধতা, সেটা যে ঝড়ের আগের, সেটা স্পষ্ট। কাশ্মীরে আমার এর আগেও আসা হয়েছে। বিভিন্ন ঘটনা-বিক্ষোভ-সংঘাতের খবর সংগ্রহ করতে।

কিন্তু এরকম অবস্থা আমি এর আগে কখনো দেখিনি। এর সঙ্গে যেন আগের কোনো কিছুর তুলনা চলে না। কাশ্মীর এখন যেন এক মৃত্যুপুরী। রাস্তাঘাটে কোনো লোকজন নেই। পুরো রাজ্য জুড়ে আছে প্রায় আড়াই লাখ ভারতীয় সেনা। টানা কারফিউ জারি রয়েছে। দোকানপাট বন্ধ। অনেকের বাড়িতেই খাবার ফুরিয়ে গেছে, রেশন ফুরিয়ে গেছে। কেনাকাটার জন্য তারা সাহস করে কেউ কেউ বেরুচ্ছেন, কিন্তু কিছু কেনার মতো কোন দোকান খোলা নেই।

ব্যাপক ধরপাকড়: শ্রীনগরের যেসব জায়গায় আমার যাওয়ার সুযোগ হয়েছে, তাতে মনে হয়েছে পুরো শহর জুড়ে একটা থমথমে পরিবেশ। চারিদিকে আতংক, ক্ষোভ। রাজনীতিবিদদের প্রায় সবাই কারাগারে কিংবা গৃহবন্দী। গুপকার রোড, যেখানে থাকেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ বা মেহবুবা মুফতির মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিকরা, সেখানে কাউকে ঢুকতেই দেয়া হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার সকালে আমরা বার বার চেষ্টা করেও সেদিকে যেতে পারিনি। ডাল লেকের ধারে গভর্নর হাউস, সেদিকেও যেতে দেয়া হচ্ছে না। গুজবের শহর হয়ে উঠেছে শ্রীনগর। নানা জায়গায় বিক্ষোভ চলছে বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু শ্রীনগরের কোথাও বিক্ষোভ আমাদের চোখে পড়েনি। একটা ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে অনেক ট্যাক্সি চালক বসে ছিলেন। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তারা বললেন, এখানে কী করছেন। বেরামিতে যান। ওখানে দশ হাজার বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। লোকজন পথে নেমে বিক্ষোভ করছে।

কিন্তু এগুলো সব শোনা কথা। সত্যিই এরকম কিছু ঘটছে কী না তা যাচাই করার কোন উপায় নেই। বিক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ: কাল যখন আমি এয়ারপোর্টে নামার পর গাড়ির দিকে যাচ্ছি তখন কিছু লোক বোধহয় আমার বিবিসির পরিচয়পত্র দেখেছেন। তারা কথা বলতে এগিয়ে আসেন। ৩৭০ ধারা এবং কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের ঘটনায় এরা যেভাবে তাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটালেন, সেটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

তারা আমাকে বললেন, পার্লামেন্টে অমিত শাহ দাবি করেছেন যে, কাশ্মীরের আশি শতাংশ মানুষ নাকি এটি সমর্থন করে। যদি তাই হবে, সরকার কেন মাত্র আট মিনিটের জন্য কারফিউ তুলে দিচ্ছে না। কারফিউ তুলে নিক, তারপর তারা দেখতে পাবে কীভাবে মানুষ রাস্তায় নামে প্রতিবাদ জানাতে। তারা হাসপাতালে যেতে পারছে না। অন্তঃসত্ত্বা মায়েরা চিকিৎসা পাচ্ছে না। মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারছে না। সব জায়গায় গিজ গিজ করছে সেনা।

মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ। ইন্টারনেট বন্ধ। ল্যান্ডলাইনও কাজ করছে না। এদের কেউ কেউ আমাদের আর্জি জানালেন, দয়া করে কাশ্মীরের এই ছবিটা গোটা পৃথিবীকে জানান। একটা বিষয় পরিস্কার। যেরকম বিপুল সংখ্যায় কাশ্মীর জুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, তার কারণে কেউ এখন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে পারছে না। কিন্তু পরে পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে, সেটা বলা মুশকিল।

অঘোষিত জরুরি অবস্থা: কাশ্মীরে এখন কার্যত একটা অঘোষিত জরুরি অবস্থা জারি রয়েছে। এখানকার কোন নিউজ পোর্টাল রোববারের পর আর আপডেট করা হয়নি, কারণ ইন্টারনেট বন্ধ। আমি কয়েকটি সংবাদপত্র অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে কেউ নেই। কোনো পত্রিকা বেরুতে পারছে না। দিল্লি বা জম্মু থেকে প্রকাশিত কিছু সংবাদপত্র এখানে এসেছিল আজ সকালে। নিমেষে সেগুলো উড়ে গেল।

এগুলো কিন্তু তিন দিনের বাসী সংবাদপত্র। বলা হচ্ছে, এগুলোতে নাকি সেন্সরের কাঁচি পড়েছে জোরেশোরে। তারপরও মানুষ এগুলো পড়ছে, যেহেতু আর কোনো জানার সূত্র নেই। বলা যেতে পারে কাশ্মীরে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠ একরকম রোধ করেই রাখা হয়েছে।
নিরানন্দ ঈদ: কদিন পরেই মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, ঈদ উল আজহা। ভেড়ার পাল নিয়ে এসেছিলেন বহু ব্যবসায়ী, বিক্রির জন্য।

হতাশ ব্যবসায়ীরা তাদের ভেড়ার পাল নিয়ে রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আছেন। ভেড়া কেনার মতো কেউ নেই। কিনবেই বা কেন, বলছেন তারা। এরকম একটা পরিবেশে কে কোরবানি দেবেন, কার কাছে মাংস বিতরণ করবেন। কাশ্মীরের মানুষের ঈদের আনন্দ এবার মাটি, এক নিরানন্দ ঈদের অপেক্ষায় তারা।

শোনা যাচ্ছে, ঈদের সময় হয়তো কারফিউ শিথিল করা হতে পারে। কারও ধারণা ১৫ আগষ্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের পর হয়তো কারফিউ উঠতে পারে।কিন্তু কাশ্মীর এখন যে ভয়-ভীতি-আতংকের মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে, কোন কিছুতেই কারো কোনো আশা নেই, কারো কোনো ভরসা নেই। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের যৌনাচার

একের পর এক মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদেরকে যৌন হয়রানীর ভয়াবহ কাহিনী প্রকাশিত হচ্ছে। ডেঙ্গুর খবরের মতো এটারও যেন মহামারী লেগেছে। পত্র-পত্রিকায় যেসব বর্ণনা দিয়ে এসব যৌন কেলেংকারীর খবর আসছে লিখতেও লজ্জা হচ্ছে। কোনও কোনও কাহিনী চিন্তাকেও হার মানায়। এরা মসজিদের ভেতর ধর্ষণ করছে, বলাৎকার করছে। এরা কি শিক্ষকের মধ্যে পড়ে? এদেরকে কি মাওলানা বলা যায়? নাকি এরা মানুষের পর্যায়ে পড়ে?

শিক্ষদের যখন এই হাল তখন ছাত্ররা ভাল কী খবর দেবে। দু’দিন আগে মাদ্রাসা ছাত্রদের এক খবর পড়ে ভাবছি আদৌ কি সেখানে দ্বীন দুনিয়ার কোনও শিক্ষা দেওয়া হয়! ৬ আগস্ট ২০১৯, ঢাকা ট্রিবিউনের অনলাইনের বাংলা ভার্সনে খবর বেরিয়েছে-শিক্ষককে ‘ফাঁসাতে’ মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের পর মাথা কেটে হত্যা করেছে তাদের ৫ সহপাঠী।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার এই ৫ ছাত্র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক যে জবানবন্দি দিয়েছে তার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মাদ্রাসার শিক্ষক তামিম বিন ইউসুফ দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদের ওপর নির্যাতন চালাতেন। ছাত্রদের দিয়ে শরীর ম্যাসেজ করাতেন এবং ঠিকমতো খেতে দিতেন না। এসবের প্রতিবাদ করলে নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যেতো।

বিষয়টি নিয়ে গ্রেফতার হওয়া পাঁচজন মাদরাসাছাত্র তাদের শিক্ষক তামিমকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে সহপাঠী আবিরকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। কারণ, আবিরকে গ্রাম থেকে মাদ্রাসায় নিয়ে এসেছিলেন শিক্ষক তামিম।

পুলিশ আরও জানায়, গত ২৩ জুলাই রাত ৮টার দিকে ওই পাঁচজন আবিরকে গল্পের ছলে মাদ্রাসার পাশে আম বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে বলাৎকারের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে। গুজব ছড়াতে আবিরের মাথা শরীর থেকে কেটে বিচ্ছিন্ন করা হয়। পরে মাথাটি পাশের পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

একবার দৃশ্যগুলো চিন্তা করুন। এই মাদ্রাসার পরিবেশ, শিক্ষকের কাণ্ড, ছাত্রদের মানসিকতা চিন্তা করলে কি আপনি বুঝতে পারবেন এখানে আল্লাহভীতির কোনও নিশানা আছে! ইসলামী শিক্ষার কোনও ছোঁয়া আছে!

এখন মানুষের প্রতিটি অসৎ গুণ প্রকাশিত হচ্ছে ভয়ানকভাবে, যা সমাজের ভিতকে নাড়িয়ে দিচ্ছে। ক্রমাগতভাবে সমাজের অবস্থা নিম্নমুখী। মানুষ জীবনযাপনে দুঃখ-কষ্টে আছে তা নয় কিন্তু সমাজের অবক্ষয় দেখে মানুষ ভয়ানকভাবে চিন্তিত।

দেখেন একজন মসজিদের ইমাম সাহেব একটা বালিকাকে ডেকে এনেছে মসজিদের ফ্লোর পরিষ্কার করার জন্য। অথচ তার মনে ছিল অন্য চিন্তা। ফ্লোর পরিষ্কার করানোর পর মসজিদের ইমাম মেয়েটির শ্লীলতাহানি করেছে। আরও পরিষ্কারভাবে বললে মসজিদের মধ্যে বাচ্চাটিকে ধর্ষণ করেছে।

এপ্রিলে ফেণীর সোনাগাজীর এক মাদ্রাসাছাত্রীকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কর্তৃক যৌন হয়রানি এবং তার জের ধরে পরবর্তীতে তাকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে জ্বালিয়ে মারার ঘটনার পর একে একে মাদ্রাসার শিক্ষকদের কুকর্ম বেরিয়ে আসছে। প্রতি সপ্তাহে বেরুচ্ছে মাদ্রাসার তথাকথিত অধ্যক্ষের কুকর্ম। ক’টা উল্লেখ করা যায়!

২৭ জুলাই ২০১৯ নারায়ণগঞ্জে একাধিক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে আটক করেছে র‌্যাব-১১। এসময় তার মোবাইল থেকে একাধিক রেকর্ডিং জব্দ করে র‌্যাব। ফতুল্লা ভুঁইগড় এলাকার দারুল হুদা মহিলা মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত অধ্যক্ষের নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে জসিম (২৯)। তিনি নেত্রকোণা লক্ষ্মীগঞ্জ কাওয়ালীকোণা গ্রামের বাসিন্দা ও দারুল হুদা মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।

গত ৪ জুলাই ফতুল্লার মাহমুদপুর এলাকায় ১২ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আল আমিনকে আটক করে র‌্যাব। এরআগে ২৭ জুন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অক্সফোর্ড নামে একটি বেসরকারি স্কুলের ২০ জনেরও অধিক ছাত্রীকে ৪ বছর ধরে যৌন হয়রানিসহ ধর্ষণের অভিযোগে সহকারী শিক্ষক আরিফুল ইসলাম সরকার ওরফে আশরাফুল ও প্রধান শিক্ষক জুলফিকার ওরফে রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

এ পর্যন্ত প্রায় ১০ জন তথাকথিত অধ্যক্ষ মাওলানাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে- ক্যাডেট মাদ্রাসায় ছাত্রীর শ্লীলতাহানির দায়ে। এসব মাওলানারা পুলিশ হেফাজতে আবার স্বীকারোক্তিও দিয়েছে। বেশিরভাগেরই এক জবাব, শয়তানের প্ররোচনায় তারা এসব করেছে।

আমার মনে হয় অনতিবিলম্বে এই মহিলা ক্যাডেট মাদ্রাসাগুলোর প্রত্যেকটিতে অভিযান চালানো দরকার। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জবাববন্দি নেওয়া দরকার। প্রয়োজনে বন্ধ করে দেওয়া হোক এসব ক্যাডেট মাদ্রাসা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে মহিলাদের দ্বীনি শিক্ষার নামে টাকা তুলে এনে একটা দোতলা, তিনতলা বাড়ি ভাড়া করে মহিলা ক্যাডেট মাদ্রাসা বানিয়ে অনাচারে লিপ্ত হচ্ছে এরা। ক্যাডেট মাদ্রাসায় পড়ে আপাতত বাংলাদেশে মহিলা মাওলানা হওয়ার দরকার নেই। অনাচারের দোকান খোলার চেয়ে মহিলা মাওলানা না হওয়াই উত্তম।

আমাদের সময় মহিলারা বর্তমান সময়ের মহিলাদের চেয়ে বেশি দ্বীনি ছিল। আমাদের ছোটবেলায় বাড়ির সামনের মক্তবে মাওলানা সকালবেলায় কোরআন শিক্ষা দিতেন। আর বাড়িতে বসে কোনো হুজুরের কাছে মাওলানা আশরাফ আলী থানভী বা এমন অনেকের বিশিষ্ট আলেমের বই পড়তেন।

সাধারণ মাদ্রাসাগুলোর দুর্ভাগ্য যে তারা দ্বীনদার পরহেজগার ছাত্র তৈরিতে ব্যর্থ হচ্ছে। ক্যাডেট মাদ্রাসার অধ্যক্ষগুলোতো তাদেরই ছাত্র। আমি এমন অনেক ইমাম লক্ষ্য করেছি যারা পেটের দায়ে ইমামতি করে বলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং পড়ায়। চাকরি করে বলে তারা নামাজ পড়ছে না হয় তারা নামাজই পড়তো না। কওমি মাদ্রাসা, অকওমি মাদ্রাসা সবাইকে বলব- আপনারা ছাত্রদের দিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা করেন। অগণিত ছাত্র আপনাদের মাদ্রাসায় পড়ে সত্য কিন্তু ছাত্রদের মধ্যে যে আল্লাহ ভীতি দারুণভাবে কমে যাচ্ছে তার দিকে আপনাদের লক্ষ্য নেই।

আজকে ইসলামের বিপদ আসছে বিধর্মীদের কাছ থেকে নয়, বিপদ আসছে আলেম নামধারী ভণ্ড ধর্ম ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। আল্লামা ইকবাল এজন্যই ভারাক্রান্ত হৃদয়ে একখানা কবিতা লিখেছিলেন যার বাংলা তরজমা করলে হয়- ‘আমার ঘরে আগুন লেগেছে আমার প্রদীপ থেকে’।

এই আগুন বন্ধ করার জন্য ওলামা-মাশায়েখদের পরামর্শ সভায় বসা উচিত। সভা ডেকে এসব মহিলা ক্যাডেট মাদ্রাসার বিষয় নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়াও দরকার। বাংলাদেশের মানুষ ধার্মিকতা অবলম্বন করে চলে। মনে রাখতে হবে ধর্মের ঘরে পাপ সয় না। আবাসিক ক্যাডেট মাদ্রাসাগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া দরকার সরকারের। প্রয়োজনে মহিলাদের জন্য জেলায় জেলায় পৃথকভাবে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং এসব মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে কঠোরতা পালন করা উচিত।

এ যাবৎ ক্যাডেট মাদ্রাসা যে শিক্ষকগুলো গ্রেফতার হয়েছেন তাদের বয়স ৪০ এর মধ্যে। হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা বলেছেন পাঁচটি জিনিস খারাপ। এক. আলেমদের খারাপ কাজ। দুই, শাসকদের লালসা। তিন, বৃদ্ধের জেনা করা। চার, ধনীর কৃপণতা। পাঁচ, নারীর নির্লজ্জতা। জ্ঞানীদের এসব উপদেশ অবহেলা করা উচিত নয়।

পরিশেষে বলবো আমাদের দেশের মাদ্রাসাগুলো তাদের ছাত্রদের মাঝে আল্লাহ ভীতি সৃষ্টিতে ব্যর্থ হচ্ছে। সে বিষয়টার প্রতি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ উদাসীন হলে চলবে না। দান-খয়রাত নিয়ে মাওলানা সৃষ্টি না করে কতগুলো জানোয়ার সৃষ্টি করে লাভ কি!

ঝিনাইদহে যুবকদের অপহরণ করে লিঙ্গ কেটে দিচ্ছে হিজড়ারা !!

সাগর হোসেন আর প্রান্ত সরকার, টগবগে দুই যুবক। একজনের বয়স ২২, অন্য জনের ১৮ বছর। সাগর পড়ালেখা করে, আর প্রান্ত সরকার রাজমিস্ত্রি। দু’জনেরই চলাফেরা সমাজে অন্যদের মতোই। বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে চলতো তারা। কোনো কিছুতেই পিছিয়ে থাকেনি এই দুই যুবক। ঝিনাইদহ শহরে ছিল তাদের চলাফেরা।

এরই মধ্যে একদল হিজড়া তাদের দু’জনকে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। খুলনা অঞ্চলে একটি গুদাম ঘরে আটকে রেখে অচেতন করে অস্ত্রপচারের মাধ্যমে দু’জনেরই লিঙ্গ পরিবর্তন করে দিয়েছে হিজড়ারা।এখন তারা গুরুত্বর অসুস্থ। যুবকদ্বয়ের দাবি কেন তাদের জীবনটা এভাবে নষ্ট করে দেওয়া হলো। নিজেদের দলে ভেড়াতে হিজড়ারা কেন তাদের জীবন ধংশ করে দিল। এখন তারা সমাজে কিভাবে বেঁচে থাকবেন।

তারা এই অপরাধের বিচার চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআই সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে জানান ওই দই যুবক।ঝিনাইদহ শহরের আরাবপুর এলাকার আনোয়ার হোসেনের পুত্র সাগর হোসেন (২২)। ছোট বেলা থেকেই পড়ালেখার প্রতি তার আগ্রহ ছিল। পারিবারিক কারণে মাঝে কিছুদিন পড়ালেখা বন্ধ ছিল।

পরে ঝিনাইদহ সরকারি বালক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। দশম শ্রেণিতে পড়ালেখা করছিল। সাগর জানান, তার কণ্ঠ কিছুটা নারীদের মতো। এই কারণে হিজড়ারা তার পিছু নেয়। তাদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি তিনি বুঝতে পেরে ওই হিজড়াদের এড়িয়ে চলতেন।

সাগর হোসেন জানান, গত ১২ জুলাই রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে তিনি ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আরাবপুর এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে নবগঙ্গা নদীর উপর ব্রীজ এলাকা থেকে একটি কালো রং এর মাইক্রোবাস তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়।

এরপর খুলনা ফুলতলা এলাকায় নিয়ে একটি গুদাম ঘরে আটকে রাখে। ওই রাতেই তাকে অচেতন করে ডাক্তারের মাধ্যমে অস্ত্রপচার করে। জ্ঞান ফেরার পর তিনি দেখতে পান তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা হয়েছে।তিনি আরো দেখতে পান পাশে প্রান্ত সরকার নামের আরেকজন একই অবস্থা করে ফেলে রাখা হয়েছে। এরপর তাদের এলাকায় ফেরত নিয়ে আসা হয়।

তার শরীর খারাপ হওয়ায় হিজড়ারা ২৫ জুলাই ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ফেলে রেখে হিজড়ারা পালিয়ে যায়। পরে তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।প্রান্ত সরকার (১৮) ঝিনাইদহ শহরের মহিষাকুন্ডু এলাকার উজ্জল সরকারের পুত্র। প্রান্ত জানান, হিজড়ারা গত ১১ জুলাই সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তাকে শহরের তসলিম ক্লিনিকের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়।

এরপর ফুলতলা এলাকায় নিয়ে অচেতন করে তার শরীরে অস্ত্রপচার করে। তিনি জানান, রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার করছিলেন। অন্য দশজনের মতোই ছিলেন তিনি।এখন তার সমাজে কোনো স্থানে ঠাই নেই। পরিবারও তাদের মেনে নিতে পারছেন না। এখন কোথায় যাবেন তা খুঁজে পাচ্ছেন না। সারাক্ষণ মুখ লুকিয়ে চলাফেরা করছেন।

সাগর ও প্রান্ত জানান, তারা এই অন্যায়ের বিচার চেয়ে ঝিনাইদহ আদালতে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় তারা আসামি করেছেন শহরের কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা আকাশী ওরফে খোকন (৪৫), ভুটিয়ারগাতি এলাকার বাসিন্দা আনোয়ারা ওরফে আবু সাঈদ (৪২), উদয়পুর এলাকার বাসিন্দা কারিশমা ওরফে লিয়াকত (৩০) ও ব্যাপারীপাড়া এলাকার মনোয়ারাকে (৫০)।

মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রবিউল ইসলাম জানান, তারা এই অন্যায়ের বিচার চেয়ে আদালতে পৃথক মামলা দায়ের করেছেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআইকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা একটি জঘন্যতম ঘটনা, এর উপযুক্ত বিচার হওয়া জরুরি।

মাঝ আকাশে ভেঙে পড়ল ভারতীয় সেনার বিমান

ফের ভেঙে পড়ল ভারতীয় সেনার বিমান৷ বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনার সুখোই-৩- জেটটি অসমের তেজপুরে ভেঙে পড়ে৷ দুই পাইলট আহত হলেও তাঁরা বেরিয়ে আসতে পেরেছেন বলে জানা যাচ্ছে৷ কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানা যাচ্ছে৷

জানা গিয়েছে, তেজপুর থেকে এটি রুটিন ট্রেনিংয়ে বেরিয়েছিল৷ কিছুটা দূরে গিয়েই ভেঙে পড়ে এটি৷ দুই পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসেন৷

এর আগে, গত মার্চ মাসে, ভেঙে পড়ে মিগ ২৭ যুদ্ধবিমান৷ ভারতীয় বায়ুসেনার এই মিগ বিমানটি রুটিন মহড়া দিচ্ছিল বলে খবর৷ সেই সময়েই আচমকা বিমানটি ভেঙে পড়ে৷ এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪।

রাজস্থানের যোধপুরে এই রুটিন মহড়া চলছিল৷ যোধপুরের গোদানায় বিমানটি ভেঙে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে৷ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ৷

ফের ভেঙে পড়ল ভারতীয় সেনার বিমান৷ বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনার সুখোই-৩- জেটটি অসমের তেজপুরে ভেঙে পড়ে৷ দুই পাইলট আহত হলেও তাঁরা বেরিয়ে আসতে পেরেছেন বলে জানা যাচ্ছে৷ কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানা যাচ্ছে৷

জানা গিয়েছে, তেজপুর থেকে এটি রুটিন ট্রেনিংয়ে বেরিয়েছিল৷ কিছুটা দূরে গিয়েই ভেঙে পড়ে এটি৷ দুই পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসেন৷

এর আগে, গত মার্চ মাসে, ভেঙে পড়ে মিগ ২৭ যুদ্ধবিমান৷ ভারতীয় বায়ুসেনার এই মিগ বিমানটি রুটিন মহড়া দিচ্ছিল বলে খবর৷ সেই সময়েই আচমকা বিমানটি ভেঙে পড়ে৷ এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪।

রাজস্থানের যোধপুরে এই রুটিন মহড়া চলছিল৷ যোধপুরের গোদানায় বিমানটি ভেঙে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে৷ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ৷

ভারতীয় সিনেমা নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান

জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল এবং রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার পর নিজেদের দেশে ভারতীয় সিনেমা নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান সরকার।

জিও টিভির বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে প্রতিবেদনে আরো জানিয়েছে, পাকিস্তানের সংসদের বাইরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন ফিরদাউস আশিক। তিনি বলেন, ভারতের সব সাংস্কৃতিক কনটেন্ট (আধেয়) নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের প্রতিবাদে পাকিস্তান এমন সিদ্ধান্ত নিল।

জিও টিভির সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি গণমাধ্যমগুলোকে সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (তথ্য ও সম্প্রচার বিভাগ) ফিরদাউস আশিক আওয়ান এ সিদ্ধান্ত জানান।

এর আগে গত সোমবার ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় ভারত সরকার। ৩৭০ অনুচ্ছেদের কারণে জম্মু ও কাশ্মীর অন্য যেকোনো ভারতীয় রাজ্যের চেয়ে বেশি স্বায়ত্তশাসন ভোগ করত। আর এ অনুচ্ছেদটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এর ভিত্তিতেই কাশ্মীর রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৩৭০ ভারতীয় রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরকে নিজেদের সংবিধান ও একটি আলাদা পতাকার স্বাধীনতা দেয়। এ ছাড়া পররাষ্ট্র সম্পর্কিত বিষয়াদি, প্রতিরক্ষা এবং যোগাযোগ বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে স্বাধীনতার নিশ্চয়তাও দেয়।

এই ৩৭০ অনুচ্ছেদের সুবাদে কাশ্মীরের স্থায়ী বাসিন্দারাই শুধু সেখানে বৈধভাবে জমি কিনতে পারতেন, সরকারি চাকরি করার সুযোগ পেতেন এবং সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারতেন।

ওই অনুচ্ছেদ বিলোপের বিষয়টি কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির পুরোনো রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোর একটি। কিন্তু এ সিদ্ধান্তের ফলে সেখানে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীর কিডনি বিক্রি!

ভারতীয় উপমহাদেশে যৌতুক একটি অভিশাপ। যৌতুকের কারণে কত নারী ও পরিবার ধ্বংস হয়েছে, তার কোনও ইয়ত্তা নেই। এই অভিশপ্ত প্রথার বলি হয়েছে বহু নারী। তবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীর কিডনি বিক্রি করে দিয়েছেন তার স্বামী। এমন অভিযোগ করেছেন রীতা সরকার নামের ওই নারী। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার। ফরাক্কার বিন্দুগ্রামের বাসিন্দা রীতার পরিবার যৌতুক হিসেবে নগদ টাকা।

সোনার গয়না, আসবাবপত্র সবই দিয়েছিল। কিন্তু তারপরও আশ মেটেনি স্বামী বিশ্বজিৎ সরকারের। তিনি আরও দুই লাখ টাকা চেয়েছিলেন। আর সেই টাকা দিতে না পারায় স্বামী কিডনি বিক্রি করে দিয়েছেন বলে শুক্রবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন রীতা।
ফরাক্কা থানার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ বলছেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কলকাতার একটি নার্সিংহোমে ওই নারীর অ্যাপেনডিক্স অস্ত্রোপচারের নামে কিডনি কেটে পাচার হয়েছে। বিশ্বজিতের খোঁজে তল্লাশি চলছে। কলকাতার কোন নার্সিংহোমে এ কাজ হয়েছে, কারা জড়িত, তাও দেখা হচ্ছে।

তবে পুলিশ বিশ্বজিৎকে খুঁজে না পেলেও ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উল্টো বিশ্বজিতের দাবি, শ্বশুর ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছেন। তিনি আমার সম্পত্তিই হাতানোর জন্য এ কাজ করেছেন। তা হলে রীতার কিডনি? বিশ্বজিৎ বলছেন, আমার স্ত্রী তো স্বেচ্ছায় কিডনি দান করে দিয়েছে। ২০০৫ সালে লালগোলার কৃষ্ণপুরের বাসিন্দা ব্যবসায়ী বিশ্বজিতের সঙ্গে বিয়ে হয় রীতার।

তাদের ১১ বছরের এক ছেলেও রয়েছে। রীতার অভিযোগ, গত ১৩ বছর ধরে যৌতুকের জন্য শ্বশুরবাড়িতে তাকে অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছে। আড়াই বছর আগে পেটের কারণে স্বামী বিশ্বজিৎ তাকে কলকাতার একটি নার্সিংহোমে নিয়ে চিকিৎসা করান।
রীতা বলেন, আমাকে বলা হয় অ্যাপেনডিক্স বাদ দিতে হয়েছে। তবে বিশ্বজিৎ বলেছিল, আমি যেন এই অপারেশনের কথা কাউকে না জানাই। কিন্তু তারপর থেকে আমি কাহিল হয়ে পড়ি। মাথা ঘুরতো। কিন্তু ডাক্তারের কাছেও নিয়ে যেত না স্বামী।

রীতার বাবা মহাদেব হালদার বলছেন, মাস তিনেক আগে মেয়ে শিলিগুড়িতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শে আলট্রাসোনোগ্রাফি করানোর পরে জানা যায়, রীতার ডান দিকের কিডনি নেই। প্রথমে সেই রিপোর্টে বিশ্বাস হয়নি। ফের মালদহের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করানো হয়। সেখানেও একই রিপোর্ট মিলেছে। যৌতুকের আরও দুই লাখ টাকা দিতে পারিনি বলে জামাই যে মেয়ের এত বড় সর্বনাশ করে দেবে, তা ভাবতেই পারছি না।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

যে পানীয় খেলে দ্রুত সুস্থ হবে ডেঙ্গু রোগী

রাজধানীসহ সারা দেশে মহামারি রুপ নিয়েছে ডেঙ্গু। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার পাশাপাশি পরিবর্তন হয়েছে ধরন ও লক্ষণের। ইতিপূর্বে দেশে বিভিন্ন সময় ডেঙ্গু রোগ দেখা গেলেও এবারের মতো ভয়াবহ ছিল না। এবার যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তেমনি মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে দেশের সর্বত্র।

তবে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে আপনার জ্বর সারাতে ভালো কাজ করবে। জ্বরে রোগীর খাবার হতে হবে তরল ও সহজপাচ্য। আমলকী ও বেদানা:-

আমলকী ও বেদানায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটিও রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে সাহায্য করে। আমলকী ও বেদানা তৈরি একটি পানীয় রয়েছে যা খেলে ডেঙ্গু রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

যেভাবে তৈরি করবেন:- প্রতিদিন চার-পাঁচটি আমলকী + ৩ টে. চামচ বেদানা + ১ গ্লাস পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে দিনে দু-তিনবার পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬৮৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৯৯২ জনই রাজধানীতে। সব মিলিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ২৩৫ জন।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

রাজধানীসহ সারা দেশে মহামারি রুপ নিয়েছে ডেঙ্গু। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার পাশাপাশি পরিবর্তন হয়েছে ধরন ও লক্ষণের। ইতিপূর্বে দেশে বিভিন্ন সময় ডেঙ্গু রোগ দেখা গেলেও এবারের মতো ভয়াবহ ছিল না। এবার যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তেমনি মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু আতঙ্ক বিরাজ করছে দেশের সর্বত্র।

তবে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে আপনার জ্বর সারাতে ভালো কাজ করবে। জ্বরে রোগীর খাবার হতে হবে তরল ও সহজপাচ্য। আমলকী ও বেদানা:-

আমলকী ও বেদানায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটিও রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে সাহায্য করে। আমলকী ও বেদানা তৈরি একটি পানীয় রয়েছে যা খেলে ডেঙ্গু রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

যেভাবে তৈরি করবেন:- প্রতিদিন চার-পাঁচটি আমলকী + ৩ টে. চামচ বেদানা + ১ গ্লাস পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে দিনে দু-তিনবার পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬৮৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৯৯২ জনই রাজধানীতে। সব মিলিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ২৩৫ জন।

কাশ্মীর সংকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায় ও মধ্যস্থতা প্রয়োজন!

একসময় নৈসর্গিক শোভার জন্য যে স্থানটি বিখ্যাত ছিল,সেই কাশ্মীর উপত্যকা এখন ভারত ও পাকিস্তানের জন্য প্রক্সি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই সপ্তাহে ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দেশটির সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করেছে, যা একসময় মুসলিম অধ্যুষিত ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল। দিয়েছিল স্বশাসনের অধিকার।

সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করেই ক্ষান্ত হয়নি বিজেপি সরকার। জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার জন্য লোকসভায় একটি বিলও উত্থাপন করেছে। ভারতে রাজ্য সরকারগুলো স্থানীয় ইস্যুতে স্বায়ত্তশাসন উপভোগ করে, তবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে নয়াদিল্লি সব ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে। যেহেতু লোকসভায় বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, তাই বিলটি সহজেই পাস হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিলটি ইতিমধ্যে রাজ্যসভায় পাস হয়েছে। এখন লোকসভায় পাস হলেই বিশেষ রাজ্যের অধিকার হারিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ।

এ ছাড়া সংবিধানের ৩৫–এ অনুচ্ছেদও বাতিল করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, শুধু স্থানীয় কাশ্মীরিদের তাদের নিজ রাজ্যে চাকরি পাওয়ার ও জমি কেনার অধিকার আছে। অনুচ্ছেদটি বাতিল হওয়ায় এখন ভারতের যে কেউ কাশ্মীরে জমি কিনতে ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবেন। কাশ্মীরিরা সরকারের এই পদক্ষেপকে তাদের জনমিতির ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে। তাদের আশঙ্কা, যদি কাশ্মীরে অ-কাশ্মীরিদের আসতে এবং ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়, তবে শিগগিরই এটি মুসলিম সংখ্যালঘু অঞ্চলে পরিণত হবে।

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার স্লোগান প্রচার করে বিজেপি চলতি বছরের গোড়ার দিকে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে। দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে পুনর্নির্বাচিত বিজেপি সরকার সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করবে। কাজেই ভারতের রাজনীতিতে সর্বশেষ ঘটা ঘটনাটি অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। তবে বিজেপি যেভাবে এটি করেছে, তা নৈতিক ও আইনগত দিক দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ।

সংবিধান সংশোধনের জন্য বিজেপিকে ৩৭০ ধারা বাতিল–সংক্রান্ত বিলটির ব্যাপারে কাশ্মীরের বিধানসভার অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন ছিল। তবে গত বছর বিজেপি জম্মু-কাশ্মীরের জোট সরকার থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর সেখানে রাজ্যপালের শাসন জারি হয়। বিধানসভার কোনো কার্যক্রম চলছে না, তা জেনে বিজেপি রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে ৩৭০ ধারা বাতিল করার ব্যাপারে রাজ্যপালের সমর্থন আদায়ের জন্য তার ক্ষমতা ব্যবহার করে। সরকারের এই পদক্ষেপ যদি সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়, তবে এটি বাতিল হয়ে যেতে পারে।

তবে বিজেপির বুদ্ধিমান নেতারা জানেন যে সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো কার্যক্রম প্রচুর সময় নেয়, যা সরকারকে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেবে এবং পরবর্তী সময়ে আদালত যেগুলোর প্রতিকার করতে অক্ষম হবেন। উদাহরণস্বরূপ, অ-কাশ্মীরি ভারতীয় যাঁরা কাশ্মীরে সম্পত্তি কিনেছেন বা বাড়িঘর তুলে বসবাস করছেন, তাঁদের আদালত অপসারণ করতে পারবেন না, কারণ তাঁরাও পাল্টা এ–জাতীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি তাদের পরিকল্পনাটি চতুরতার সঙ্গে সম্পাদন করতে পারে, তবে একই সঙ্গে তারা জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতাকেও অবমূল্যায়ন করেছে। বর্তমানে কাশ্মীর উপত্যকায় প্রায় কারফিউর মতো পরিস্থিতি বিরাজ করছে, ভারতীয় আধা সামরিক বাহিনী ২৪ ঘণ্টা টহল দিচ্ছে। ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। বিজেপি হয়তো এভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম, তবে তারা এটা খুব বেশি দিন করতে পারবে না।

অচিরেই কাশ্মীরের জনগণের আন্দোলনের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আলগা হয়ে যাবে, কাশ্মীরের জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে, যা সরকারকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার বিষয়টিকে প্রায় অসম্ভব করে তুলবে। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হওয়ার সময় কাশ্মীরের শাসকেরা স্বাধীন থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু যখন কাশ্মীর দখল নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়, তখন স্থানীয় শাসকেরা এই শর্তে ভারতের সঙ্গে নিজেকে একত্র করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে কাশ্মীর হবে স্বশাসিত একটি রাজ্য। মোদির সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো তাঁর সমর্থকদের হয়তো খুশি করেছে, তবে এটা ঠিক যে তিনি এই অঞ্চলের স্বায়ত্তশাসন নিয়ে দীর্ঘকালের চুক্তি লঙ্ঘন করেছেন।

পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে কাশ্মীর সব সময়ই একটি গোলযোগপূর্ণ এবং এটি বিশ্বের অন্যতম সামরিককৃত অঞ্চল। পাকিস্তান এবং ভারত উভয়ই গোটা কাশ্মীর উপত্যকার মালিকানার দাবি করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীরের যুবকেরা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর নির্মম আচরণের শিকার হয়ে আসছেন এবং একই সঙ্গে ভারত দাবি করে আসছে যে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার জন্য পাকিস্তান তাঁদের উৎসাহিত করছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আধা সামরিক বাহিনীর নির্মম আচরণের ফলে কাশ্মীরের যুবকদের মধ্যে ভারতবিরোধী মনোভাব আরও তীব্র হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের ভূমিকা অনেকটা অসহায়ের মতো, যেমনটা অসহায়ত্ব সংস্থাটি প্রদর্শন করেছে সিরিয়া, লেবানন ও আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে। জাতিসংঘ কেবল পাকিস্তান ও ভারত উভয়কেই সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি জারি করে। সংস্থাটির যদি যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের মতো সত্যিকারের ক্ষমতা থাকত এবং দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে পারত, তবে হাজার হাজার নিরীহ মানুষের জীবন বাঁচানো যেত এবং লাখ লাখ নাগরিক ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদের উগ্রতা থেকে রক্ষা পেত।

সম্ভবত এখনই বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর কাশ্মীরের ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে। সময় হয়েছে দীর্ঘ সময় ধরে চলা লড়াই থেকে কাশ্মীরকে বাঁচানোর। জাতিসংঘের উচিত ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করাকে অমানবিক আচরণ হিসেবে নিন্দা করা এবং ধর্ম ও জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমের নামে কাশ্মীরিদের ওপর আরও অত্যাচার করা থেকে রক্ষা করা।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )

জেনে নিন- ঈদের জামাতের সময়সূচি!

মুসলিম উম্মাহর ‍দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী ১২ আগস্ট পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের প্রধান ঈদ জামাত দেশের প্রধান ঈদ জামাত।

বুধবার (০৭ আগস্ট) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। বিকল্প ইমাম হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ড. মাওলানা মুশতাক আহমদ।

এদিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৭টা, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টা, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টা এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন।

দ্বিতীয় জামাতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুফতী মুহীউদ্দিন কাসেম, তৃতীয় জামাতে জামিয়া শাবইয়্যাহ মালিবাগ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুফতি সিবগাতুল্লাহ নূর, চতুর্থ জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতী মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতে ইমামতি করবেন আল আযহার একাডেমির প্রিন্সিপাল ড. মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম আযহারী।

কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )